Bangladesh buying Chinese Fighter Jets। পাকের ব্যবহার করা ২০ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বাংলাদেশ

Spread the love

চিনের থেকে ২০টি যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। এমনই দাবি করা হল বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে। বিভিন্ন বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২.২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৭,০৬০ কোটি টাকা) জে-১০সিই যুদ্ধবিমান (মাল্টিরোল ফাইটার জেট) কেনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যেগুলি ২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশের হাতে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ এবং ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের সময় সেই চুক্তির বাস্তবায়ন করা হবে। তবে পুরো টাকা মেটানোর জন্য অনেকটা সময় পাবে বাংলাদেশ। ২০২৩-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত টাকা মেটানোর সুযোগ থাকবে। যে চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিমান কেনা, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণের মতো বিভিন্ন বিষয় যুক্ত থাকবে বলে সূত্রের খবর। 

এমনিতে জে-১০সিই যুদ্ধবিমান হল চিনের জে-১০সি ফাইটার জেটের ভার্সন। জে-১০সি যুদ্ধবিমানের যে ভার্সন বিদেশে রফতানি করে চিন, সেটাই হল জে-১০সিই। পাকিস্তানি বায়ুসেনাও সেই জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে। যেটিকে ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান বলে দাবি করা হয়। আছে একটি ইঞ্জিন এবং একটি আসন। মোট ১১টি হার্ড পয়েন্ট আছে। যেখান থেকে পিএল-১৫ই, পিএল ১০-র মতো মিসাইল ছোড়া যায় বলে চিনের তরফে দাবি করা হয়েছে।ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিটি জে-১০সিই মাল্টিরোল ফাইটার জেটের বেস প্রাইস হল ১.২ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪,৭৬০ কোটি টাকা)। ভ্যাট, বিমান-সহ বিভিন্ন খরচ মিলিয়ে দামটা ২.২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে। যে যুদ্ধবিমান আপাতত মূলত পাকিস্তান ব্যবহার করে থাকে। ২০২২ সালে পাকিস্তানি বায়ুসেনায় জে-১০সিই যুদ্ধবিমান যুক্ত করা হয়েছিল। সেটিকে রাফাল এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের প্রতিযোগী হিসেবে তুলে ধরে চিন।

এমনিতে বাংলাদেশি বায়ুসেনার হাল খুবই খারাপ। সেই পরিস্থিতিতে চিনা যুদ্ধবিমান নিয়ে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, খসড়া চুক্তি খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশের বায়ুসেনার প্রধান নেতৃত্বাধীন কমিটি। সেই চুক্তির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখবে। সেইসঙ্গে চূড়ান্ত দাম নিয়েও চিনের সঙ্গে দরাকষাকষি করবে বলে ওই রিপোর্টে জানানো হয়েছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *