বাংলাদেশি হিন্দু যুবক দীপুকে নৃশংস খুনের প্রতিবাদে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিক্ষোভ বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের। পুলিশের বসানো ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের খুব কাছে চলে আসে বিক্ষোভকারীকে। এই আবহে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ওপরে। বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে ব্যানার এবং প্ল্যাকার্ড ধরে দীপু দাসের বিচারের দাবিতে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান মুহম্মদ ইউনুসের কুশপুত্তলিকাও পুড়িয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের এলাকা থেকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এর জন্য অনেককে আটক করেছে। পুলিশ ব্যারিকেডিং পুনঃস্থাপন করতেও সক্ষম হয়েছে।
এদিকে আজই ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মাকে ডাকে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। এবং সেই বৈঠকটি চলে ৫ মিনিটেরও কম সময়ের জন্য। জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রণয় বর্মাকে বাংলাদেশের বিদেশ সচিব আসাদ আলম সিয়াম অনুরোধ করেন যাতে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। আজ স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের অফিসে ঢোকেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মার প্রণয় বর্মা। এবং পাঁচ মিনিট পরে তিনি বেরিয়ে আসেন সেই অফিস থেকে। এই আবহে বৈঠকটি হয় ৫ মিনিটেরও কম সময়ের জন্য। এদিকে রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, ভারতে অবস্থিত তাদের মিশনগুলিতে নাকি ‘হামলার চেষ্টা’ হয়েছিল, এবং তা পূর্বপরিকল্পিত।
এর আগে ২২ ডিসেম্বর দিল্লি, শিলিগুড়ি এবং আগরতলায় যাবতীয় ভিসা পরিষেবা স্থগিত করার ঘোষণা করে বাংলাদেশের হাইকমিশন। সঙ্গে সেখানে বন্ধ রয়েছে বাকি কনস্যুলার পরিষেবাও। বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের সামনে বিক্ষোভর জেরেই তারা এই পদক্ষেপ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে কলকাতাতেও বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়েছিল দীপু দাসের হত্যার প্রতিবাদে। সেখানে ইউনুসের ছবিতে জুতোর মালাও পরানো হয়েছে। উঠেছে বাংলাদেশ বিরোধী স্লোগান।
