কয়েকদিন আগেই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-র (রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং) সঙ্গে অত্যন্ত গোপনীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের (ডিজিএফআই) ডিজি কাইজার রশিদ চৌধুরী। আর তারইমধ্যে একটি রিপোর্টে দাবি করা হল যে ভারত সফরের সপ্তাহকয়েক পরেই পাকিস্তানে গিয়েছেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের নয়া ডিজি। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম নর্থ-ইস্ট নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামাবাদে পাড়ি দেন তিনি। সেখানে তিনি পাকিস্তান সেনা ও পাকিস্তান গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা আছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ভারতে এসেছিলেন বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধান
এমনিতে তারেক ক্ষমতায় আসার পরই বাংলাদেশি সেনায় বড় ঝাঁকুনি দেন। ২২ ফেব্রুয়ারি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই) ডিজি পদে মেজর জেনারেল কাইজারকে বসানো হয়। নাম গোপন করার শর্তে বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানান, রাইসিনা ডায়লগের মধ্যেই বার্ষিক সুরক্ষা সংক্রান্ত কনক্লেভে যোগ দেন।
ডোভাল ও RAW প্রধানের সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের
শুধু তাই নয়, বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি ইনটেলিজেন্স লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরএস রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। র’র প্রধান পরাগ জৈনের আয়োজিত নৈশভোজেও যোগ দেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতরের ডিজি।

আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন মোড়
ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে পাকিস্তানের সঙ্গে দহরম-মহরম চরমে উঠেছিল পাকিস্তানের। যে বিষয়টা ভারতের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের ছিল। তবে ইউনুসের বিদায়ের পরে তারেক রহমানের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করার উপরে জোর দিয়েছে ঢাকা। দিল্লি এবং ঢাকা মধ্যে বরফ গলতে শুরু করেছে।