Bangladeshi Leader Singing Video। ভারতকে পরমাণু হুমকি দেওয়া বাংলাদেশি নেতা গাইতে পারে না নিজের দেশের জাতীয় সঙ্গীত

Spread the love

ভারতকে সম্প্রতি পরমাণু হুমকি দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাহিত্য সম্পাদক মোসাদ্দেক আলি। তিনি দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে নাকি এত ইউরেনিয়াম আছে, যা উত্তোলন করলে নাকি ভারতকে অসংখ্যবার উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। সেই মোসাদ্দেক অবশ্য নিজের দেশের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারেন না। এক অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত চলার মাঝেই মোসাদ্দেককে দেখা যায় মাইক নামিয়ে তা অন্য একজনকে দিয়ে দিতে। এর আগেও যে দুটি লাইন তাঁকে গাইতে শোনা গিয়েছে, তাতে না ছিল তাল, না ছিল সুর। এদিকে মোসাদ্দেকের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল জামাতের ছাত্র শিবিরের নেতা সাদিক কায়েম। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত চলার মাঝেই তাঁকে কথা বলতে শোনা যায়। যা কার্যত অবমাননার শামিল।

উল্লেখ্য, এর আগে হাদি মৃত্যুর পর এই মোসাদ্দেক ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন ভবনের একেকটা ইট খুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। আর রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় মোসাদ্দেক বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ম নিয়ে সবচেয়ে বেশি হুমকি আসছে ভারত থেকে। তারা কথায় কথায় বলছে যে আমাদের পারমাণবিক বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেবে। কিন্তু তারা জানে না, বাংলাদেশের কুলাউড়া পাহাড়ে যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম আছে, সেটা যদি আমরা উত্তোলন করতে পারি, ভারতকে অসংখ্যবার ধ্বংস করে দেওয়া যাবে। কিন্তু আমরা কোনও ধ্বংস চাই না। আমরা চাই এমন এক সরকার, যারা মৌলভীবাজারের এই কুলাইড়া পাহাড় থেকে ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হবে।’

এরপর ডাকসু নেতা আরও বলেছিলেন, ‘প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ বছর আগে এই ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সরকার সেই ইউরেনিয়াম তোলার বিষয়ে সাহস করতে পারেনি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশে যে সরকার গঠন করবে, তাদের যেন মেরুদণ্ড থাকে, তারা যেন সেই ইউরেনিয়াম তুলতে সক্ষম হয়। একটা কথা আছে, প্রতিবেশী কখনও বন্ধু হয় না। কারণ প্রতিবেশী যদি বন্ধু হত, তাহলে সে প্রতিবেশী থাকত না, এক পরিবার হয়ে যেত। সীমানা থাকত না, কাঁটাতার থাকত না। সীমানা দিয়ে আলাদা করে মানচিত্র চিহ্নিত করার প্রয়োজন পড়ত না। বন্ধু হলে তো সব মানচিত্র এক হয়ে যেত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকতে পারে ন্যায্যতার ভিত্তিতে। তারা যদি আমাদের বিষয়ে ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত করে, তাহলে চক্রান্তের জবাব চক্রান্ত দিয়ে দিতে হবে। ষড়যন্ত্রের জবাব ষড়যন্ত্র দিয়ে দিতে হবে।’ এত বড় বড় কথা বলা ছাত্রনেতা অবশ্য নিজের দেশের জাতীয় সঙ্গীতটাই ঠিক করে গাইতে পারেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *