Bengal losing sleep for temperature। রাতে গরম বাড়ায় বছরে ৮০ ঘণ্টা ঘুম হারাচ্ছে কলকাতা

Spread the love

Bengal losing sleep for temperature: জলবায়ু পরিবর্তন এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ছে ঘুমের উপরে। রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘুম হারাচ্ছেন কলকাতা, শিলিগুড়ি, আসানসোল-সহ বিশ্বের বিভিন্ন শহরের মানুষ। একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে সেই উদ্বেগজনক তথ্য। ‘ক্লাইমেট সেন্ট্রাল’ নামে একটি সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি বছর কলকাতার মানুষ গড়ে ৮০ ঘণ্টারও বেশি ঘুম হারাচ্ছেন। যা ভারতের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। শীর্ষে আছে চেন্নাই (৯৩ ঘণ্টা)। তারপরই আছে মুম্বই (৮৪ ঘণ্টা)।

কীভাবে সমীক্ষা চালানো হয়েছে?

ওই সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্বের মোট ১,৩৩৮টি শহরে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের বিভিন্ন শহরেও চলেছে সমীক্ষা। ওই শহরগুলিতে গরমের কারণে ১৯৭০-৭৫ সালে কত ঘণ্টা ঘুম হারাতেন মানুষ, তাতে জলবায়ু পরিবর্তনের কতটা ভূমিকা ছিল, ২০২০-২৫ সালে কত ঘণ্টা ঘুম হারিয়েছেন মানুষ, তাতে জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকা কতটা, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

কলকাতা-সহ বাংলায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কতটা?

ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, কলকাতার এই বার্ষিক ৮০ ঘণ্টার ঘুম নষ্ট হওয়ার পিছনে অন্যতম বড় কারণ হল তাপমাত্রা বৃদ্ধি। তার মধ্যে কমপক্ষে পাঁচ ঘণ্টা সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘটছে। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে যে পরিমাণ ঘুম নষ্ট হয়েছে, তার প্রায় সাত শতাংশই সরাসরি এই জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

শুধু কলকাতাই নয়, সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই এই ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে ওই সমীক্ষায় উঠে এসেছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, ১৯৭০-৭৫ সাল থেকে ২০২০-২৫ সালের মধ্যে শতাংশের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের যে শহরে সবথেকে বেশি মানুষ ঘুম হারিয়েছেন রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে, সেটা হল শিলিগুড়ি। দীর্ঘদিন ধরে চলা তাপপ্রবাহ, আপেক্ষিক আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি এবং রাতেও গরম না কমার প্রবণতা রাজ্যজুড়ে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে।

বাংলার কোন শহর কত ঘণ্টা ঘুম হারিয়েছে (২০২০-২৫ সাল)?

১) আসানসোল: রাতের তাপমাত্রার জন্য প্রতি বছর আসানসোলের মানুষ গড়ে ৭৪ ঘণ্টা ঘুম হারাচ্ছেন। তার মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ছয় ঘণ্টা (আট শতাংশ) ঘুম হারিয়েছেন। ১৯৭০-৭৫ সালে সেটা ছিল চার শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *