Cooking Gas Cylinder Latest Update। এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ দ্বিগুণ করল কেন্দ্রীয় সরকার

Spread the love

দেশজুড়ে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ঘাটতি ঘিরে শঙ্কা এখনও রয়েছে। এরই মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য পাঁচ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার চালু রয়েছে শহুর এলাকায়। ‘ছোটু’ নামের সেই সিলিন্ডার সরবরাহের জন্য রাজ্যগুলির কোটা এবার দ্বিগুণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রসঙ্গত, গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ পেতে গেলে ঠিকানা সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হয়। তবে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য তা কঠিন হয়ে পড়ত। এই আবহে সরকার ‘ছোটু’ সিলিন্ডার চালু করেছিল। যেকোনো একটি পরিচয়পত্র দেখিয়েই এই ছোট এলপিজি সিলিন্ডার কেনা যেতে পারে।

চলতি বছরের মার্চ মাসের ২ এবং ৩ তারিখে যে পরিমাণ ৫ কেজির সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছিল, সেটার অনুপাতে দ্বিগুণ সিলিন্ডার এবার থেকে রাজ্যগুলিকে সরবরাহ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে ১৪.২ কেজির ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ নিয়ে নয়া কোনও নির্দেশ সরকার দেয়নি। তবে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশ দিয়েছিল, পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিকাঠামো রয়েছে, এমন অঞ্চলের বাসিন্দাদের এলপিজি সংযোগ ত্যাগ করে পিএনজি সংযোগ গ্রহণ করতে হবে। সরকার আরও বলেছিল, কোনও গ্রাহক এই নোটিস হাতে পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে যদি পিএনজি সংযোগ গ্রহণ না করেন, তাহলে তাঁর এলপিজি গ্যাস রিফিলিংও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এদিকে ডবল সিলিন্ডার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা বৃদ্ধি করেছিল সরকার। এরই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনাতেও গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমা বদল করা হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব গ্রাহকরা উজ্জ্বলা যোজনার অন্তর্গত নন, তাঁদের ক্ষেত্রে ডবল সিলিন্ডার বুকিংয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩৫ দিন করা হয়েছে। তবে সিঙ্গল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে এখনও সময়সীমা ২৫ দিনই রয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় ৫ কেজির সিলিন্ডারের বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা একই রয়েছে। শহরে ৫ কেজি ওজনের একটি সিলিন্ডার বুক করার ৯ দিন পরে দ্বিতীয়টি বুক করা যাবে। গ্রামীণ এলাকায় ১৬ দিন পরে পরবর্তী সিলিন্ডার বুক করা যাবে। আর শহরে ১০ কেজির সিলিন্ডার বুক করার পরে পরবর্তী সিলিন্ডার বুক করা যাবে ১৮ দিন পরে। গ্রামীণ এলাকায় এই ব্যবধান ৩২ দিনের। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতে ৩ বা ৪ জনের একটি পরিবারে ১৪.২ কেজি গ্যাস চলে ৩৫ থেকে ৪০ দিনের মতো। সেই মতো গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার।প্রসঙ্গত, ভারতের প্রতিদিন গড়ে ৯৩ হাজার ৫০০ টন এলপিজি লাগে। এর মধ্যে ঘরোয়া ব্যবহার ৮০ হাজার ৪০০ টনের মতো। এই এলপিজি চাহিদা মেটাতে ৬০ শতাংশ গ্যাসই আমদানি করে যাতে ভারত। আর আমদানির ৯০ শতাংশই আসত পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে। তবে ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ক্রমাগত হামলার জেরে গ্যাস আমদানি নিয়ে শঙ্কিত ভারত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *