মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট টলিউডে! তালসারিতে মেগার শ্যুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হয় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর অকাল প্রয়ানে যে কথাটি বারবার উঠে এসেছে তা হল প্রযোজনা সংস্থার অব্যবস্থা ও গাফিলতির কথা। আর সেখান থেকেই কলাকুশলীদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ বারবার আলোচনায়।
ধারাবাহিক থেকে সিরিজ, সিনেমা সব ক্ষেত্রেই অভিনেতা বা অভিনেত্রী-সহ টেকনিশিয়ানদের নিরাপত্তার দায় নেওয়া উচিত প্রযোজনা সংস্থার। আর সেই দাবিতেই এবার একজোট হয়েছে টলিপাড়া। যতক্ষণ না এই নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত চলবে কর্মবিরতি। ‘কিন্তু নিরাপত্তা একেবারেই ছিল না আগে?’ এবার সেই প্রশ্ন তুললেন পরিচালক তথা প্রযোজক রাজ চক্রবর্তী।
তিনি দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি এই সব থেকে বাইরে রয়েছি। আমি ভোটের প্রচারের মধ্যে রয়েছি। তবে স্যোশাল মিডিয়া থেকে যেটুকু দেখছি বা যেটুকু আমার কাছে খবর আসছে যে, একটা সেফটি সিকিউরিটি নিয়ে কথা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আমার একটা কথা আছে। নিরাপত্তা কি তাহলে এতদিন ধরে দিচ্ছিলাম না আমরা? এটা হতে পারে? আমরা যখন কাজ করছিলাম তখন কি কেউ নিরাপদ ছিল না? একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে সেখান থেকে আমাদের চোখ খুলে গিয়েছে? আমাদের আরও নিরাপত্তা নিতে হবে, ঠিক আছে। কিন্তু আমরা সেফটি সিকিউরিটি নিয়েই কাজ করেছি। এত বছর ধরে কাজ করেছি। অবশ্যই প্রতিটা মানুষের সেফটি সিকিউরিটি রেখেই কাজ হয়েছে। যে কাজ করেছে সে নিজেও নিজের সেফটি সিকিউরিটি রেখেই কাজ করেছে।’
তাঁর কথায়, ‘হতে পারে আরও কিছু আপগ্রেড করার দরকার আছে। যদি মনে হয় যে এগুলো করলে আরও ভালো হবে, তাহলে নিশ্চয়ই হবে। কিন্তু নিরাপত্তা ছিল না এটা আমি মানতে নারাজ। সব সেফটি সিকিউরিটি ছিল। আমরা সব সময় একটা পারমিশন নিয়ে কাজ করি। সব কিছুর একটা প্রোটোকল আছে। আর শুধু নিয়ম নয়। নিয়মের বাইরে গিয়ে আমাকে বুঝতে হবে যে আমরা এতগুলো মানুষের দায়িত্ব নিয়ে যাচ্ছি। তাই অবশ্যই ছিল। যদি আরও সেফটি সিকিউরিটির দরকার হয় সেটা আলোচ্য বিষয়।’
