গত ৯ এপ্রিল ভোট সম্পন্ন হয়েছে কেরল বিধানসভা ভোটের। ‘গডস ওন কান্ট্রি’ কেরলের ভোটে বিগত কয়েক দশকে বামেদের ‘লেফ্ট ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স’ বনাম কংগ্রেসের ‘ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স’র রাজনৈতিক সংঘাতই দেখা গিয়েছে। তবে এই সমীকরণের মধ্যেই ২০২৫ সালে কেরলের পুরোভোটে কংগ্রেসের সাংসদ শশীথারুরের কেন্দ্রে তিরুঅনন্তপুরমে বিজেপির দাপট কেড়েছিল নজর। সেই কেরল গত ১০ বছরে কার্যত বামেদের পোক্ত দুর্গ হয়ে রয়েছে। ১৪০ আসনের কেরল বিধানসভা কে দখলে রাখবে, তা ৪ মে ২০২৬এ কেরল জানতে পারবে ভোটের ফলাফলে। তার আগে, এল একের পর এক বুথ ফেরত সমীক্ষার বার্তা।
কেরলের বামেদের পিনারাই বিজয়ন সরকারের সিলভার লাইন প্রজেক্টের জমি অধিগ্রহণ ঘিরে কেরলের রাজনীতি বহুদিন ধরেই তপ্ত ছিল। এর সঙ্গে সোনা পাচার কাণ্ড ঘিরেও দাক্ষিণাজ্যের এই রাজ্যের রাজনীতিতে চড়েছিল পারদ। এছাড়াও রাজ্যের উপকূলীয় ধস ও বন্যা কেরলের রাজনীতিতে চিরকালই বড় জায়গা দখল করে রাখে।
অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়া-
অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়ার সমীক্ষা বলছে, কেরলে বামেদের এলডিএফ- ৪৯-৬২ টি আসন পেতে পারে, কংগ্রেসের ইউডিএফ ৭৮ থেকে ৯০। বিজেপি জোটের এনডিএ-০-৩ আসন পেতে পারে। প্রসঙ্গত, বিজেপির কাছে দাক্ষইণাত্যে জমি বানানোর লড়াইয়ে কেরল অন্যতম পাখির চোখ! সেই জায়গা থেকে কেরলে যদি বিজেপি এই পরিমাণ আসনও পায়, তাহলে তা গেরুয়া শিবিরের দাক্ষিণাজ্য স্ট্র্যাটেজির জন্য বড় দিক। অন্যদিকে, ওয়েনাড সহ কেরলের একাধিক জায়গা কংগ্রেসের পোক্ত গড়। সমীক্ষা বলছে, ইউডিএফর ভোট শেয়ার ৪৪ হতে পারে, এলডিএফের ভোট শেয়ার ৩৯ শতাংশ হতে পারে। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, পুরুষ ও মহিলা উভয় ভোটারদের থেকেই ইউডিএফের ঝুলি বেশি ভর্তি হতে পারে, এলডিএফের তুলনায়।

সিএনএন-নিউজ এইট্টিন-
সিএনএন-নিউজ এইট্টিনের সমীক্ষা বলছে, কেরলে কংগ্রেসের ইউডিএফ পেতে পারে ৭০ থেকে ৮০ টি আসন। আর এলডিএফ পেতে পারে ৫৮ থেকে ৬৮ টি আসন। বিজেপি জোটের এনডিএ পেতে পারে ০ থেকে ৪ টি আসন পেতে পারে।
ম্যাট্রাইজের মতে, ইউডিএফ ৭০-৭৫টি আসন পেতে পারে এবং এলডিএফ ৬০-৬৫টি আসন জিতবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, এনডিএ ৩-৫টি আসন পাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পিপলস পালস ইউডিএফের জন্য ৭৫-৮৫টি আসন, এলডিএফের জন্য ৫৫-৬৫টি আসন এবং এনডিএ-র জন্য ০-৩টি আসনের পূর্বাভাস দিয়েছে।