ভারতের টেস্ট ও ওয়ানডে টিমের অধিনায়ক শুভমন গিলের সদ্য টি২০ বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়ার ঘটনা ঘিরে একাধিক রিপোর্ট সামনে আসতে শুরু করেছে। ‘দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র এক রিপোর্টের দাবি, তিনি যে টি২০ বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়ছেন, তা আগে গিলকে জানানোই হয়নি। রিপোর্ট এও দাবি করছে যে, মুম্বইতে বিসিসিআই হেডকোয়ার্টারে যখন বৈঠক শুরু হয়েছে, ঠিক তার আগে এই বিষয়ে গিলকে জানানো হয়।
টি২০ টিম থেকে গিলের বাদ যাওয়া নিয়ে বিসিসিআই সূত্রকে উল্লেখ করে এনডিটিভির রিপোর্ট দাবি করেছে, শনিবার সকাল পর্যন্তও নির্বাচকদের চেয়ারম্যান বা টি২০ দলের ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার যাদব বা কোচ গৌতম গম্ভীর, কেউই শুভমনকে জানাননি যে, তিনি বাদ পড়তে চলেছেন টিম থেকে। ওই রিপোর্টে এও দাবি করা হয়েছে যে, সম্ভবত লখনউতে কুয়াশার জন্য বাতিল হওয়া চতুর্থ ওয়ানডেতেই ঠিক হয়ে যায় ২০২৬ টি২০ বিশ্বকাপ ঘিরে শুভমনের ভাগ্য। উল্লেখ্য, বিগত বেশ কয়েকটি টি২০ ম্যাচে গিলের ব্যাট থেকে সেভাবে রানের বন্যা বা বাউন্ডারির ফোয়ারা আসেনি। এদিকে, এনডিটিভির রিপোর্টে বিসিসিআই-র সূত্রকে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, চোট ততটা গুরুতর না থাকায়, আমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি২০ ম্যাচে খেলার ইচ্ছা ছিল গিলের। যদিও ওই ম্যাচে ভাইস ক্যাপ্টেন গিলকে চোটের কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। অভিষেকের সঙ্গে ওপেনিং এ ব্যাট হাতে নামেন সঞ্জু স্যামসন। সঞ্জু ও অভিষেক দুজনেই রয়েছেন বিশ্বকাপের টি২০ টিমে। রিপোর্ট বলছে, সম্ভবত ওই ঘটনায় আগাম আঁচ দিয়েছে যে, টি২০ বিশ্বকাপে ভাইস ক্যাপ্টেন গিলকে নিয়ে ভাবছেনা টিম ম্যানেজমেন্ট। উল্লেখ্য, গত ৩ টি২০ ম্যাচে গিলের মোট সংগ্রহ ৩০ রান।
প্রসঙ্গত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে গিলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসাবে পরিচিত অভিষেক শর্মা টি২০ বিশ্বকাপ চিমে রয়েছেন, গিলের অপর ঘনিষ্ঠ ঈশান কিষাণও ফিরেছেন স্কোয়াডে।
তবে শুধু ভাইস ক্যাপ্টেন নন, টি২০ টিমে টিকে থাকার লড়াই ঘিরে ক্যাপ্টেন সূর্যও নির্বাচকদের আতস কাচের নিচে রয়েছেন বলে দাবি করছে রিপোর্ট। টি২০ তে শেষ ১৯ ইনিংসে সূর্যের সংগ্রহে ২১৮ রান। পিটিআই-র রিপোর্ট দাবি করছে, ফর্মে না ফিরলে সূর্যও হারাতে পারেন জায়গা। রিপোর্ট বলছে,’ যদি সূর্য রান করা শুরু না করেন, তাহলে ড্রেসিংরুমে তাঁর কণ্ঠস্বর হারাবে এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর জায়গাও চলে যাবে কারণ, যাঁরা গম্ভীরকে চেনেন তারা জানেন যে তাঁর জন্য জয়ই সবকিছু নয়, একমাত্র জিনিস। আজ গিল ছিলেন, কাল সূর্যকুমারও হতে পারেন।’
