Goa nightclub fire tragedy। আগুন লাগতেই রাত ১ টা ১৭ মিনিটে থাইল্যান্ডের টিকিট কাটে লুথরারা

Spread the love

গোয়ার নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ওই বিভীষিকাময় ঘটনার সময় যখন মানুষ প্রাণ বাঁচানোর জন্য হাহাকার করছিলেন, সেইসময় ক্লাবের মালিক ‘লুথরা ব্রাদার্স’-রা ভারত ছেড়ে পালানোর ছক করছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপাতত যা তদন্ত হয়েছে, তাতে জানা গিয়েছে যে আগুন নিয়ন্ত্রণ বা অন্যান্য কাজে সহায়তা না করে বিদেশে পালানোর জন্য প্লেনের টিকিট কাটছিল ক্লাবের মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা।

গোয়া পুলিশের জনসংযোগ আধিকারিক নীলেশ রানে জানিয়েছেন, পুলিশের তদন্তের উঠে এসেছে ৭ ডিসেম্বর (ইংরেজি মতে ৭ ডিসেম্বর) রাত ১ টা ১৭ মিনিটে মেক মাইট্রিপ (এমএমটি) ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম থেকে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটেছিল। যখন গোয়া পুলিশ এবং দমকল বাহিনীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে লড়াই করছিল, আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা করছিল, সেইসময় ‘লুথরা ব্রাদার্স’-রা দেশ ছেড়ে পালানোর ছক কষছিল।

সেইসঙ্গে সরকার এবং প্রশাসনের তরফে ‘লুথরা ব্রাদার্স’-রা বিদেশে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়েছে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা খারিজ করে দিয়েছে পুলিশ। গোয়া পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ‘লুথরা ব্রাদার্স’-কে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সেটা সম্পর্ণ ভুয়ো। সকাল ছ’টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে ছিল পুলিশ এবং অন্যান্য এজেন্সি। আর অভিযুক্তরা ভোর সাড়ে পাঁচটার বিমানে পালিয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে জানার পরই তারা পালিয়ে গিয়েছিল।

ইমিগ্রেশন রেকর্ড অনুযায়ী, ‘লুথরা ব্রাদার্স’-রা ইন্ডিগোর বিমানে থাইল্যান্ডের ফুকেট দ্বীপে উড়ে গিয়েছিল। গ্রেফতারি এড়াতে আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছে। আদালত গোয়া কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চেয়েছে এবং শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্থগিত করেছে। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের ব্লু কর্নার নোটিশ জারি করা হয়েছে। অভিযুক্ত ভাইদের আগাম জামিনের আবেদনের শুনানি করে অতিরিক্ত দায়রা জজ বন্দনা গোয়া পুলিশের কাছে জবাব চেয়েছেন এবং বিষয়টি পরবর্তী শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার স্থগিত করেছেন। থাইল্যান্ড থেকে দিল্লি ফেরার পরপরই যাতে তাদের গ্রেফতার না করা হ,য় তার জন্য চার সপ্তাহের আগাম জামিন চেয়েছে ‘লুথরা ব্রাদার্স’-রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *