Trump slammed for Modi-Putin meet। মোদী-পুতিনের ১ ছবিতে US-তে বিদ্রোহের মুখে ট্রাম্প

Spread the love

আমেরিকার প্রতিনিধিই কান গরম করে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। গাড়ির মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ছবি দেখিয়ে মার্কিন প্রতিনিধি সিডনি ক্যামলাগার-ডোভ দাবি করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের কারণেই রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা বেড়ে গিয়েছে। অপরের যাত্রাভঙ্গ করতে গিয়ে নিজের ‘বন্ধু’-কে ‘শত্রু’-র হাতে তুলে দিয়েছেন ট্রাম্প। আর তারপর আশা করছেন যে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হবে। এরকম ভুলভাল কাজ করে নোবেল শান্তি পুরস্কারের আশা না করা ভালোই বলে ট্রাম্পকে কটাক্ষ করেছেন ক্যামলাগার-ডোভ।

তিনি বলেন, ‘ভারতের প্রতি ট্রাম্প যে নীতি নিয়েছেন, তা শুধুমাত্র একটা ভাবেই বর্ণনা করা যায় – নিজের নাক কেটে নিজেরই যাত্রাভঙ্গ করা। দমনকারী জোটসঙ্গী হওয়ার মূল্য চোকাতে হয়। আর এই পোস্টারটা সহস্র শব্দের সমান। আমেরিকার কৌশলগত জোটসঙ্গীকে আমাদের প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিয়ে আপনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন না। ইন্দো-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই প্রশাসন যে ক্ষতি করেছে, সেটা পুষিয়ে দেওয়ার জন্য মারাত্মক দ্রুততা দেখানো উচিত। আর সহযোগিতার পথে ফিরে যাওয়া উচিত, যা আমেরিকার সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা এবং বিশ্ব নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।’

এমনিতে বিশ্ব কূটনৈতিক আঙিনায় তাৎপর্য রেখে ভারতে ২৭ ঘণ্টার সফরে আসেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাতেই তিনি ভারতে পা রাখেন। সেখান থেকে তাঁকে সাদরে গ্রহণ করে নিজের বাসভবনে নিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী মোদী। এরপর শুক্রবার বেলা গড়াতেই যৌথভাবে বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মোদী বলেন,’ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসী হামলা হোক বা ক্রোকাস সিটি হলে কাপুরুষোচিত হামলা, এই ধরনের সকল কর্মকাণ্ডের মূল একই। ভারত বিশ্বাস করে যে সন্ত্রাসবাদ মানবতার মূল্যবোধের উপর সরাসরি আক্রমণ, এবং এর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ঐক্য আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’ এছাড়াও রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মোদী বলেন, ভারত নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের ভারত সফর নিয়ে উৎফুল্ল প্রকাশ করেছে চিন। রাশিয়া এবং ভারতের পাশাপাশি চিনকে ‘গ্লোবাল সাউথের’ গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বর্ণনা করে বেজিংয়ের তরফে বলা হয়েছে, তিন দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক হবে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, ভারত, রাশিয়া এবং চিন উদীয়মান বাজার অর্থনীতি এবং গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি বলেন, তিন দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা শুধু তাদের স্বার্থেই নয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্যও সহায়ক। ভারত-চিন সম্পর্ক এখন অনেকটা স্বাভাবিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *