India on Trump’s Claim on Russian oil Import। রাশিয়ান তেল কেনা কমানোর কথা বলেন মোদী

Spread the love

ভারত নাকি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে দেবে বলে প্রধানমন্ত্রী মোদী আশ্বস্ত করেছেন তাঁকে। গতকাল এমনই দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবার মুখ খুলল ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে এই নিয়ে বিবৃতি জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা করা আমাদের ধারাবাহিক অগ্রাধিকার। আমাদের আমদানি নীতিগুলি সম্পূর্ণরূপে এই উদ্দেশ্যের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। স্থিতিশীল জ্বালানীর দাম এবং নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করা আমাদের জ্বালানি আমদানি নীতির লক্ষ্য। বাজারের স্থিতি বুঝে আমরা জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র আনতে চাই।’

এদিকে বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমেরিকার ক্ষেত্রে যদি বলা হয়, আমরা বিগত কয়েক বছর ধরেই তাদের থেকে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধির চেষ্টা করেছি। গত একদশকে এই জ্বালানি আমদানি ক্রমে বেড়েছে। আমেরিকার বর্তমান প্রশাসন ভারতের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ কছে। এই নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে।’

উল্লেখ্য, ভারতের রাশিয়ান তেল কেনা নিয়ে গতকাল বড় দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। ভারতকে নির্ভরযোগ্য অংশীদার বলে মনে করেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) আমার বন্ধু। আমাদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে… ভারত রাশিয়ার তেল কিনছে বলে আমি খুশি নই। তারা আজ আমাকে আশ্বস্ত করেছে যে তারা রাশিয়া থেকে তেল কিনবে না।’

এদিকে ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি নিয়ে ট্রাম্প গতকাল বলেন, ‘আমরা বাণিজ্যকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অনেক যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়েছি। উদাহরণস্বরূপ, ভারত ও পাকিস্তান… তারা খুব কঠোরভাবে লড়াই করছিল। সাতটি বিমান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল… খারাপ কিছু ঘটছিল এবং আমি তাদের দুজনের সাথেই বাণিজ্য নিয়ে কথা বলছিলাম… আমি বলেছিলাম যে তারা যুদ্ধ বন্ধ না করলে আমরা কোনও বাণিজ্য চুক্তি করব না। আমি তাকে ফোন করে বললাম, শোনো, তুমি যদি এই যুদ্ধ বন্ধ না করো, তাহলে আমরা তোমার দেশের যেকোনও পণ্যের উপর ২০০% শুল্ক আরোপ করব… আমি উভয় দেশের নেতাদের সাথে কথা বলেছি। আমি তাদের উভয়কেই পছন্দ করি। কিন্তু আমি তাদের স্পষ্ট বার্তা দিই এবং পরের দিন আমার কাছে ফোন আসে। তারা বলে, আমরা উত্তেজনা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি… আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা যুদ্ধ করব না… আমি যুদ্ধ বন্ধ করতে ভালোবাসি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *