Indian Captured by BGB near Border। লালমণিরহাটে আটক ভারতীয়! দাবি বিজিবির

Spread the love

ভারতীয় এক নাগরিককে নাকি লামণিরহাটে আটক করেছে বিজিবি। সেই ব্যক্তি নাকি অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় ধরা পড়েছিল সীমান্তে। আটক ভারতীয়র নাম বিশ্বজিৎ কুমার দাস। বিজিবির দাবি, বিশ্বজিতের কাছ থেকে ভারতীয় মুদ্রা, বাংলাদেশি টাকা এবং আধারের একটা ফটোকপি পাওয়া গিয়েছে। এদিকে কুষ্টিয়াতেও নাকি আরও এক ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীকে ধরেছে বিজিবি। আটক সেই ব্যক্তির নাম নাকি মহম্মদ বাবু।

এদিকে ২৬ ডিসেম্বর সিলেট-মেঘালয় সীমান্তে নাকি ‘ভারতীয় ডেটোনেটর’ বাজেয়াপ্ত করেছে বিজিবি। বিজিবির দাবি, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় চারাগাওঁ সীমান্তের কাছে এক অভিযান চালিয়ে ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটোনেটর বাজেয়াপ্ত করে বিজিবি। তবে সেই ডেটোনেটর ‘ভারতীয়’ কি না, তা তারা কীভাবে নিশ্চিত হয়েছে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি বিজিবি। এদিকে বিজিবি জানিয়েছে, এই ঘটনায় যুক্তরা পালিয়ে গিয়েছে।

এই সবের মাধে আবার নদিয়ার গেদে সীমান্ত দিয়ে ১৪ জন অবৈধবাসী বাংলাদেশিকে পাঠানো হল বাংলাদেশে। বিএসএফ এই অবৈধবাসীদের পুশব্যাক করেছে সীমান্তে। ২৬ ডিসেম্বর বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, সেই ১৪ জনের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৬ জন নারী এবং ২টি শিশু আছে। এই অবৈধবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে ওড়িশায় থাকত বলে জানা গিয়েছে। পরে তাদের বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ গ্রেফতার করে। নদিয়ার সীমান্তে পাঠানো হয় তাদের। আপাতত এই অবৈধবাসীরা ওপারে দর্শনায় বিজিবির হেফাজতে আছে। তাদের পরিচয় যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। জানা যায়, বিএসএফ এই অবৈধবাসীদের সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দেওয়ার পর তারা দর্শনা বাসস্ট্যান্ডের দিকে যায়। পরে ঘটনার বিষয়ে জানতে পারে বিজিবি। এই ১৪ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয় মেডিক্যাল চেকআপের জন্য।

অপর এক ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হওয়া প্রেমের টানে ভারতে অনুপ্রবেশ করে ধরা পড়েছে এক বাংলাদেশি যুবক। ধৃতের নাম রায়হান কবির, বয়স ২৫ বছর। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বসিরহাট থেকে। ধৃত রায়হানের বাড়ি বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলায়। জানা গিয়েছে, ২৬ ডিসেম্বর বসিরহাটের ঢ্যামডেমি এলাকায় সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল রায়হানকে। স্থানীয়রা এই আবহে রায়হানকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন। কথায় অসঙ্গতি থাকায় পুলিশকে ডাকা হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ রায়হানকে আটক করে। এই অনুপ্রবেশকারীকে পরে বসিরহাট আদালতে পেশ করা হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *