Indrani Halder।’ইন্দ্রাণী হালদার এখনও ফুরিয়ে যায়নি…’! ৩ বছর ধরে গায়েব

Spread the love

শ্রীয়মীর মতো সফল ধারাবাহিকের পর হঠাৎ করেই গায়েব ইন্দ্রাণী হালদার। গত চার বছর যাবত ছোটপর্দায় দেখা নেই তাঁর, টিভির পর্দাই শুধু নয় সেভাবে জনসমক্ষেই ধরা দেন না টলিউডের ‘মামণি’। তাঁকে দর্শক শেষ দেখেছে ২০২৩ সালে ছোটলোক ওয়েব সিরিজে। যার শ্যুটিং হয়েছিল মাস কয়েক আগেই। হঠাৎ কী হল অভিনেত্রীর?

কেন পর্দা থেকে উধাও হয়েছিলেন ইন্দ্রাণী? এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, এই বিরতি ছিল অনিচ্ছাকৃত। কোমরের গুরুতর চোটের কারণে প্রায় দেড় বছর শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। স্টেরয়েড নেওয়ার ফলে ওজন বেড়ে গিয়েছিল অনেকটাই। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই লিগামেন্ট ছিঁড়ে আরও ছয় মাসের ভোগান্তি। গত সেপ্টেম্বর থেকে জিমে গিয়ে নিজেকে ফের আগের ছাঁচে গড়ার লড়াই চালাচ্ছেন তিনি। এখন ওজন ঝরিয়ে আগের অবস্থায় অনেকটাই ফিরে এসেছেন অভিনেত্রী।

টলিউডের প্রথম সারির পরিচালকদের ছবিতে তাঁকে দেখা যায় না কেন? ইন্দ্রাণী অ2অনুস্বরকে সোজাসাপ্টাভাবে জবাব— ‘কৌশিক গাঙ্গুলী বা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের মতো পরিচালকরা যখন ভালো কাজ করছিলেন, তখন তাঁরা আমাকে নেননি। নিলেই করতাম। তবে আমি ফুরিয়ে যাইনি, ভালো প্রস্তাব এলে সিনেমা বা সিরিয়াল— সব করব।’ শ্রীলেখা মিত্রের তোলা ‘স্বজনপোষণ’ বিতর্ক নিয়ে তাঁর মত— ‘আমরা যে যার ভাগ্যে করে খাই। কারও আটকানো বা পুশিংয়ে ভাগ্য পাল্টায় না। আমার ভাগ্য ও যোগ্যতায় পরিচালকরা যা দেওয়ার দিয়েছেন, সেটুকুই আমি পেয়েছি।’

অনেকে ভেবেছিলেন তিনি হয়তো রাজনীতিতে নামবেন, কিন্তু ইন্দ্রাণীর সাফ কথা— ‘আর না, আমার খুব একটা ইচ্ছে নেই।’

পর্দায় ‘আদর্শ বৌমা’ হলেও বাস্তবে তাঁর সাফল্যের কারিগর তাঁর শ্বশুরবাড়ি। স্বামী ভাস্কর এবং শাশুড়ি-ননদের থেকে যে সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তাকে ‘বিরাট ভাগ্য’ বলে মনে করেন তিনি। তবে বর্তমান প্রজন্মের নারীর প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ‘শ্রীময়ী’র চেয়ে ‘গোয়েন্দা গিন্নি’র পরমা মিত্রকেই এগিয়ে রাখছেন, কারণ আজকের মেয়েরা শুধু সংসারের জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেবে— এটা তিনি বিশ্বাস করেন না।

এখন চিত্রনাট্য নির্বাচনে তিনি অনেক বেশি খুঁতখুঁতে। হুবহু ‘শ্রীময়ী’র মতো চরিত্রের পুনরাবৃত্তি তিনি করতে চান না। তবে যদি আবারও জন্ম নিতে হয়, তবে তিনি ‘ইন্দ্রাণী হালদার’ হয়েই ফিরতে চান, কারণ তিনি নিজের অস্তিত্বকে চুটিয়ে উপভোগ করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *