Kalighat BJP-TMC Tussle। কালীঘাটে মমতার গলির সামনে হাতাহাতি TMC-BJP’র

Spread the love

আজ ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশ করেন। সেই সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ছিলেন তাঁর সঙ্গে। রোড শো করে মনোনয়ন পেশ করতে যান শুভেন্দু। সেই সময় কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে বিজেপির মিছিল যাওয়ার সময় তৈরি হয় উত্তেজনা। তা শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় হাতাহাতিতে। তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সংঘাত এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে রোড শোয়ের প্রচারগাড়ি থেকে রাস্তায় নামতে হয় অমিত শাহকে।জানা গিয়েছে, বিজেপির রোড শো চলাকালীন কালো কাপড় দেখাচ্ছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। সেই সময় তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্য করে পালটা স্লোগান তোলেন বিজেপি কর্মীরা। একে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের সাথেও ধস্তাধস্তি হয় রাজনৈতিক কর্মীদের। এই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে কনভয়ের গাড়ি থেকে নামেন অমিত শাহ। সেখান থেকে অন্য একটি ছোট গাড়িতে উঠে বাকি রাস্তা পাড়ি দেন তিনি।

এদিকে আজ শুভেন্দুর মনোনয়ন পেশের আগে সমাবেশ থেকে অমিত শাহ বলেন, ‘শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন, আমি বলেছিলাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়, মমতার ঘরে গিয়ে ওকে হারাও। শুভেন্দুর রেকর্ড আছে। গত নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এইবার মমতাজি পুরো বাংলাতেও হারবেন আর ভবানীপুরেও হারবেন। ভবানীপুরের ভোটার ভাই-বোনেদের অনুরোধ করতে এসেছি যে পুরো বাংলা মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে বিদায় জানাতে প্রস্তুত রয়েছে। ভবানীপুরবাসীর হাতে গোটা বাংলার পরিবর্তন নির্ভর করছে। একটি একটি করে সিটে জিতব, ১৭০ আসনে জয়ী হলে পরিবর্তন হবে। কিন্তু আমার কাছে একটা শর্টকাট আছে। যদি ভবানীপুরবাসী একটি আসনে জিতিয়ে দিলেই গোটা বাংলায় আপনা-আপনি পরিবর্তন হবে।’

অমিত শাহ আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের জন্য ১৫ দিন আমি এখানেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা হবে। আজ এসেছি মনোনয়ন পত্র জমার জন্য, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর জন্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাই বাই টাটা করে দিন। আমি বাংলার সকল জনতা, যারা তোলাবাজি, তৃণমূলের গুন্ডাগিরি, মহিলাদের নিরাপত্তাহীনতা, বাংলায় অনুপ্রবেশকারী ও গুলি-বোমাবাজি, বেকারত্ব ও দুর্নীতির যে রেকর্ড তৈরি হয়েছে, তাতে ভীত, তারা সকলেই চাইছেন বাংলায় পরিবর্তন দরকার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *