Ketan Murder case। কেতন পরতেন পরচুলা! অপছন্দ ছিল সিয়ার? তাই খুন?

Spread the love

পুনের লোহাগড় দুর্গে কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর দিক উঠে আসতে শুরু হয়েছে। লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ফলে পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর ঘটনায়, তাঁর বাবা এই হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য উদ্দেশ্য নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন। এদিকে, পুলিশের তদন্তে খোঁজ তল্লাশি চলছে এই খুনে সিয়াকে কোনও ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে কি না!

কেতন ও সিয়ার রাজকীয় বিয়ের আয়োজন চলছিল নভেম্বর মাসে। তার আগে, লোহাগড় ফোর্টে সিয়া, কেতনকে নিয়ে যান বলে দাবি করা হচ্ছে তদন্তে। সেখানেই কেতনকে ঠেলে ফোর্ট থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন সিয়া ও চেতন। এদিকে, তদন্তে নেমে এই ঘটনার নানান দিক নিয়ে তল্লাশি করছেন তদন্তকারীরা। এরই মাঝে কেতনের বাবা এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন। কেন সিয়া, কেতনকে খুন করতে গেলেন, এই প্রশ্ন সবার মুখে। সেই প্রেক্ষাপটে কেতনের বাবা বলেন,’ আমরা তাঁদের (সিয়া গোয়েলের পরিবারকে) আগেই জানিয়েছিলাম যে, কেতন মাথায় ছোট এক টুকরো উইগ ব্যবহার করত। এটা কি কাউকে হত্যা করার মতো কোনো কারণ হতে পারে?’ তিনি জানান, কেতনের মাথায় হেয়ারপ্যাচ ছিল। আর সেকথা সিয়ার পরিবারকে জানিয়েছিল কেতনের পরিবার। কেতনের বাবা এদিন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন, এই কেসকে ফাস্ট ট্র্যাক করার। কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল বলেন,’ আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছি যে অভিযুক্তের যেন অন্তত মৃত্যুদণ্ড হয়। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে এই মামলাটি দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার (fast-track) আওতায় আনা হবে। আমাকে জানানো হয়েছে যে, এই মামলার তদন্তের জন্য একটি এসআইটি (SIT) গঠন করা হয়েছে।’

এদিকে, পুলিশি তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে যে, সিয়ার প্রেমিক হিসাবে উঠে আসা চেতন কোনওভাবে সিয়াকে ব্ল্যাকমেল করতেন কিনা, কেতনকে খুন করার জন্য। পুলিশের ধারণা, চেতন ফোন কথোপকথন ও ব্যক্তিগত চ্যাটের রেকর্ড ব্যবহার করে সিয়াকে চাপে ফেলেছিলেন। তিনি হুমকি দিয়েছিলেন যে, সিয়া সরে দাঁড়ালে প্রভাবশালী আগরওয়াল পরিবারের কাছে তাঁদের সম্পর্কের কথা ফাঁস করে দেবেন। এমনই তথ্য উঠে এসেছে এনডিটিভির রিপোর্টে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *