Kolkata Police Fuel Update। দেশে তেলের সংকট না থাকলেও কলকাতা পুলিশের ভাণ্ডারে টান

Spread the love

ইরান যুদ্ধের প্রভাব গিয়ে পড়ল এবার লালবাজারে। বিশ্বের বহু দেশেই ইরান যুদ্ধের জেরে তেলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তবে সার্বিক ভাবে ভারতে তেমন কোনও পরিস্থিতি এখনও দেখা যায়নি। মোটামুটি সর্বত্রই তেল মিলছে। তবে কলকাতা পুলিশের তেলের ভাণ্ডারে টান পড়েছে বলে দাবি কার হয়েছে রিপোর্টে। এই আবহে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জ্বালানি ব্যবহারে সতর্ক করা হয়েছে ট্রাফিক গার্ডগুলিকে। এছাড়া থানাগুলিকেও গাড়ি ব্যবহারের বিষয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে লালবাজারের তরফ থেকে। প্রসঙ্গত, পুলিশের কাজ শহরকে নিরাপদ রাখা। এই আবহে সারাদিন বিভিন্ন জায়গায় টহল দেয় পুলিশের গাড়ি। পুলিশের অফিসাররা বাইকে করে যান বিভিন্ন জায়গায়। এই আবহে স্বভাবতই পুলিশের অনেকটা তেলের প্রয়োজন পড়ে দৈনন্দিন কর্তব্য পালনের জন্য। এরই সঙ্গে ভোট ঘনিয়ে আসছে। রাজনৈতিক কর্মসূচি বা কোনও বিক্ষোভ ঠেকাতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেখানেও গাড়ির ব্যবহার করা হয়।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এপ্রিলের প্রথম দিকে শেষ হয়ে যেতে পারে কলকাতা পুলিশের তেলের ভাণ্ডার। এদিকে সরকার নাকি ১০ কোটি টাকা বরাদ্দে এখনও ছাড়পত্র দেয়নি। এরই মাঝে আবার বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। ৩১ মার্চের মধ্যে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। বাহিনী মোতায়েন করতেও যানবাহনের প্রয়োজন। তাই চাই জ্বালানি। এই আবহে ধারে তেল কিনতে চলেছে পুলিশ। দাবি করা হয়েছে ,কিছু তালিকাভুক্ত পেট্রোল পাম্পের কাছে কলকাতা পুলিশ অনুরোধ করেছে যাতে ধারে তাদের তেল দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ভারতে এমনিতে তেলের সংকট নেই। তবে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম রকেট গতিতে ছুটছে ইরান যুদ্ধের জেরে। এই আবহে জ্বালানি সংস্থাগুলির ওপর চাপ কমাতে এবং ঘরোয়া বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেট্রোল-ডিজেলে অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক বা স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। এদিকে কলকাতায় এখন পেট্রোল লিটার পিছু ১০৫.৪১ টাকায় বিকোচ্ছে। আর ডিজেল বিকোচ্ছে ৯২.০২ টাকায়। তবে এত কিছুর মাঝেও অন্যন্য দেশের মতো ভারতে পেট্রোল পাম্পগুলিতে নেই কোনও লম্বা লাইন। স্বাভাবিক গতিতেই ছুটছে যানবাহন। হরমুজ প্রণালী দিয়ে অধিকাংশ দেশের জাহাজ পাড়ি দিতে না পারলেও ভারতের ট্যাঙ্কারও আসছে কয়েকটি করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *