Mamata on heart attack claim: বিজেপি চেয়েছিল যে তাঁর যেন হার্ট-অ্যাটাক হয়ে যাক। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ফেসবুক লাইভে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো (কালীঘাট) বলেন, ‘আপনারা তো ইলেকশনের রেজাল্ট বেরনোর দিন আমার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মিছিল করে বিজেপি পার্টির লুম্পেনরা বলেছিলেন যে হার্ট-অ্যাটাক হয়ে মারা যাক। (হাসি) তোমাদের শেষ না দেখা পর্যন্ত আমি আছি। আমি ছিলাম। মানুষের ভালোবাসায় থাকব এবং কর্মীদের ভালোবাসায় থাকব।’
কেউ কখনও বয়স জিজ্ঞাসা করে না, সাফ কথা মমতার
সেই রেশ ধরে ৭১ বছরের তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘আমার বয়স নিয়ে আপনাদের চিন্তা করতে হবে না। মানুষের বয়স তৈরি করে মানুষের মন, মানুষের দেহ, মানুষের শক্তি। আপনাদের প্রধানমন্ত্রীর বয়স কত, সেটা কখনও আমি জিজ্ঞাসা করেছি? কেউ কখনও বয়স জিজ্ঞাসা করে না।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বয়স দেখিয়ে মানুষকে অসম্মান করার চেষ্টা করবেন না। দুর্ভাগ্যবশত অনেকেই ছোটো বয়সে মারা যান। আমরা কেউ চাই না (সেটা)।’
অভিষেক বাঘের মতো লড়ছেন, দাবি মমতার
তারইমধ্যে ভাইপো অভিষেক যখন বিদ্রোহী নেতাদের নিশানার মুখে পড়েছেন, সেই আবহে ডায়মন্ড হারবার সাংসদের হয়ে মুখ খুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, অভিষেককে শুধু বাহানা হিসেবে ব্যবহার করছেন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়ক, নেতা, সাংসদরা। অথচ অভিষেকের স্ত্রী’কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের বিরুদ্ধে। সেই পরিস্থিতিতে চাইলেই আপস করে রেহাই পেতে পারতেন। কিন্তু মাথা না নুইয়ে অভিষেক যেভাবে লড়াই করছেন, তাতে ভাইপোর সব ভুল ক্ষমা করে দেওয়া যায় বলে জানান মমতা।

নাম না করে মদনকে আক্রমণ মমতার
এই প্রসঙ্গে নাম না করে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে তীব্র কটাক্ষ করে মমতা দাবি করেন, যে ব্যক্তি আজ দল ছাড়লেন, তিনি গতকালই জানিয়েছিলেন যে তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলেকে ইডি সমন পাঠিয়েছে। তখনই বুঝে গিয়েছিলেন উনি ক্যাম্প বদল করতে পারেন। এর সঙ্গে অভিষেকের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।