Mamata TMC 21st July Meeting Update: কলকাতা হাইকোর্ট তো শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিতে কত লোক আনা যাবে, তা নিয়ে যেন ধন্দে আছে কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসই। প্রাথমিকভাবে তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের কর্মসূচিতে ২০,০০০ জন আসতে পারেন। যদিও রাজ্য সরকারের সওয়াল এবং হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতে তিনি আর্জি জানান যে কমপক্ষে ৫,০০০ জনের জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হোক। যে আর্জি শেষপর্যন্ত ধোপে টেকেনি। ২১ জুলাই বেলা ১২ টা থেকে দুপুর সাড়ে তিনটে পর্যন্ত বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে জানিয়েছে যে ২,৫০০ জনের বেশি জমায়েত চলবে না।
রাজ্যের তরফে বিভিন্ন শর্ত দেওয়া হয়
সেই মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে সওয়াল করা হয়, কালীঘাট তৃণমূলের কর্মসূচিতে যদি ২,০০০ লোক হয়, তাহলে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে যেতে হবে। আর ১০,০০০-র বেশি লোক হলে কর্মসূচি পালন করতে হবে ব্রিগেডে। বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে যেহেতু স্কুল, কলেজ এবং হাসপাতাল আছে, তাই সেখানে ৫০০ জনের বেশি জমায়েত করতে দেওয়া যাবে।
সওয়াল-জবাবের মধ্যেই কল্যাণ দাবি করেন, তাঁদের কর্মসূচিতে ২০,০০০ লোক হতে পারে। সেই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন যে তাহলে ব্রিগেডে কর্মসূচি পালন করুক কালীঘাট তৃণমূল। কল্যাণ আবার জানান যে ব্রিগেডের কর্মসূচিতে এক লাখ মানুষকে নিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।
১০,০০০-র বেশি লোক হবে কালীঘাট তৃণমূলের কর্মসূচিতে?
তারইমধ্যে হাইকোর্ট প্রশ্ন করে যে কালীঘাট তৃণমূলের কর্মসূচিতে যে ১০,০০০-র বেশি লোক হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিনা। ২,০০০ লোক হলে তাঁর আর্জি বিবেচনা করে দেখা হতে পারে বলে জানায় হাইকোর্ট। কল্যাণ অবশ্য জানান, ৫,০০০ লোকের জমায়েত অনুমতি দেওয়া হোক। রাজ্যের তরফে পালটা জানানো হয়, ৩,০০০ লোক নিয়ে ওই জায়গায় কর্মসূচি পালন করতে সমস্যা হবে। সেই পরিস্থিতিতে ২,৫০০ লোক নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলকে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট।

কী কী শর্ত দেওয়া হয়েছে কালীঘাট তৃণমূলকে?
১) বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে বেলা ১২ টা থেকে দুপুর সাড়ে তিনটে পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করা হবে।
২) জমায়েত করা হবে সর্বোচ্চ ২,৫০০ জন।
৩) পুলিশের কাছে ২০ জন স্বেচ্ছাসেবকের নাম দিতে হবে কালীঘাট তৃণমূলকে। ১৮ জুলাই বিকেল চারটের মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। কর্মসূচির সময় উল্টোপ্রান্ত দিয়ে যান চলাচল নিশ্চিত করতে হবে তাঁদের।