ইরানে যুদ্ধের জেরে বেড়ছে গ্যাসের দাম। এমতাবস্থায় এলপিজি নিয়ে বেশ উদ্বেগ দেশ জুড়ে। প্রশ্ন উঠছে, এরপর কি জ্বালানির দামও বাড়বে? এই প্রশ্নের মাঝেই এবার, ইরানের এক আইন প্রণেতা দাবি করেছেন, যে সমস্ত ভেসেল বা জাহাজ, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাচ্ছে, তাদের যেতে দেওয়ার জন্য আলাদা করে ‘টোল’ ধার্য করতে পারে ইরান। এমন ভাবনাচিন্তায় রয়েছে তেহরান। এই দাবি করেছে ইরানিয়ান স্টুডেন্ট নিউজ এজেন্সি।
প্রসঙ্গত, এই পরিস্থিতি তৈরি হলে, জ্বালানির খরচ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে, এই পরিস্থিতিতে ভারত জ্বালানি কেনার ব্যাপারে কী ভাবছে, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই, অবস্থান স্পষ্ট করেছে দিল্লি।
এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘ আমরা সব জায়গা থেকে এলপিজি কেনার চেষ্টা করছি। পরিস্থিতি এমন যে, প্রয়োজনে আমরা রাশিয়া থেকেও কিনব।’ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সাফ বক্তব্য, ‘আমরা বিশ্বের সব প্রান্ত থেকে তেল কিনি। আমাদের আরও অনেক ট্যাংকার আসছে। এ ব্যাপারে আমাদের সম্পদের বৈচিত্র্যময় বিকল্প রয়েছে। আমরা রাশিয়া সহ বিভিন্ন উৎস থেকে তেল কিনছি।’ এছাড়াও, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের জানিয়েছে যে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে এবং শোধনাগারগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করছে। দেশজুড়ে পেট্রোল পাম্পগুলো স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং কোনো ঘাটতির খবর পাওয়া যায়নি, অন্যদিকে পিএনজি ও সিএনজি সরবরাহ একশো শতাংশ অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে পিএনজি সম্প্রসারণে সহায়তা করার জন্য অতিরিক্ত ১০% বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ করতে বলেছে এবং গ্রাহকদের সরকারি তথ্যের ওপর নির্ভর করতে, আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা এড়াতে ও সিলিন্ডারের হোম ডেলিভারি বেছে নিতে পরামর্শ দিয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র বাণিজ্যিক এলপিজির ওপর টেনেছে রাশ। তারই মাঝে এলপিজি বোঝাই এক ভেসেল হরমুজ পার করেছে গিয়েছে। এই অবস্থায় মার্কিন বাণিজ্যিক চোঙ রাঙানির মাঝে ভারত রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে কোনপথে হাঁটে সেদিকে, তাকিয়ে গোটা দেশ।
