Pahalgam terror attack arrest update। মোবাইল চার্জারেই ফাঁস ‘শিক্ষক’ ইউসুফের কীর্তি

Spread the love

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের চার্জার – সেই সূত্র ধরেই পহেলগাঁও হামলায় জড়িত থাকা জঙ্গিদের সাহায্য করার অভিযোগে মহম্মদ ইউসুফ কাটারি নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানালেন আধিকারিকরা। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পহেলগাঁওয়ে যে জঙ্গিরা হামলা চালিয়েছিল, তাদের সঙ্গে তিন-চারবার দেখা করেছিল ইউসুফ। জঙ্গিদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনের চার্জারও দিয়েছিল।

গত মাসের শেষের দিকে ২৬ বছরের ইউসুফকে গ্রেফতার করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে যে পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো তিন জঙ্গিকে (সুলেমান ওরফে আসিফ, জিব্রান এবং আফগানি) গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিল ইউসুফ। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জেরায় ইউসুফ দাবি করেছে যে শ্রীনগরের বাইরে জাবারওয়ান পাহাড় এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে তিন-চারবার দেখা করছিল।

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পহেলগাঁও হামলার পরে যে ‘অপারেশন মহাদেব’ শুরু করা হয়েছিল, সেটার সময় জাবারওয়ান পাহাড়ের এলাকা থেকে একাধিক জিনিস পাওয়া গিয়েছিল। আংশিকভাবে ধ্বংস করে দেওয়া মোবাইল চার্জার এবং অপর একটি সামগ্রীর বিস্তারিত ফরেন্সিক পরীক্ষা চালিয়ে ইউসুফের নাগাল পেয়েছিল পুলিশ। ওই চার্জারের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন যে একজন ডিলারের কাছে সেই চার্জার বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে কাশ্মীরের উঁচু পার্বত্য অঞ্চলের যাযাবর পড়ুয়াদের পড়াত ইউসুফ। যে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘সোর্স’ ছিল। কঠিন রাস্তায় জঙ্গিদের পথ দেখিয়ে দেওয়া, চার্জার দেওয়ার মতো কাজ করত। যদিও ইউসুফের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, ইউসুফের গ্রেফতারির তদন্তভার সম্ভবত জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) হাতে যাবে।এমনিতে যে তিন জঙ্গিকে সহায়তা করেছিল ইউসুফ, তাদের তিনজনকেই ‘অপারেশন মহাদেব’ চালিয়ে খতম করে দেওয়া হয়েছে। ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হামলা চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করেছিল ওই তিন জঙ্গি। পরে ২৯ জুলাই এনকাউন্টারে তিন জঙ্গিকে খতম করে দেওয়া হয়েছে। সুলেমান পহেলগাঁও হামলার অন্যতম মূলচক্রী ছিল। জিব্রানের যোগ পাওয়া গিয়েছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে সোনমার্গ টানেল হামলার সঙ্গে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *