বাংলাদেশকে টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ায় পাকিস্তানও বিশ্বকাপ ‘বয়কট’ করতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পিসিবি প্রধান তথা পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। তিনি জানান, পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দেশের বাইরে। এরই মাঝে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ বলেন, পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বয়কট করা উচিত।
সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত। দীর্ঘমেয়াদে এটি পাকিস্তানের স্বার্থেই কাজে আসবে। হয়তো কিছু অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে, কিন্তু তা সামাল দেওয়া সম্ভব। আজ পাকিস্তান যদি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ায়, এর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।’ তবে পাকিস্তান যে এমনিতেই ‘আওয়াজ দিচ্ছে’ তা স্পষ্ট। আইসিসি ইতিমধ্যেই পাকিস্তানকে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এরপরই আজ পাকিস্তান নিজেদের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করে।
এর আগে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান তথা সেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। আর এতে বেজায় চটেছে আইসিসি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইসিসি। এমনকী এশিয়া কাপ থেকেও পাকিস্তানকে ব্যান করা হতে পারে বলে জানিয়ে রেখেছে আইসিসি। শুধু তাই নয়, পাকিস্তান যদি টি২০ বিশ্বকাপ না খেলে, তাহলে বিদেশি খেলোয়াড়দের পিএসএলে খেলতে যাওয়ার ক্ষেত্রে আইসিসি নৌ অবজেকশন সার্টিফিকেট দেবে না। এছাড়া সব আন্তর্জাতিক দ্বিপাক্ষীয় সিরিজও বন্ধ করে দেওয়া হবে পাকিস্তানের।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ টি২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন বললেন, ‘আইসিসি এবার টি২০ বিশ্বকাপে খেলানোর জন্য ২২তম দল খুঁজুক।’ তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করেছে আইসিসি। এর মানে কি পাকিস্তানও টি২০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করছে? এই প্রশ্নের জবাবে মহসিন নকভি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন দেশের বাইরে আছেন। তিনি ফিরলে আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’ তিনি এও জানান, পাকিস্তান বিশ্বকাপ খেলতে না গেলে নাকি পিসিবির কাছে ‘বি’, ‘সি’, ‘ডি’ পরিকল্পনা তৈরি আছে। তবে এবার দেখা গেল বিশ্বকাপে যাওয়ার জন্য নিজেদের দল ঘোষণা করল পিসিবি।
