Pakistan visa desk spy operation in India। ভারতে চরবৃত্তির জন্য ভিসা ডেস্ককে ব্যবহার পাকের!

Spread the love

চরবৃত্তির জন্য কীভাবে নয়াদিল্লির পাকিস্তান হাইকমিশনের ভিসা ডেস্ককে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেই বিষয়টি আরও একবার ফাঁস হয়ে গেল। সূত্র উদ্ধৃত করে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওয়াসিম আক্রম নামে হরিয়ানা থেকে যে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে পাকিস্তানের হাইকমিশনের জাফর ওরফে মুজাম্মিল হুসেন নামে একজনকে তথ্য পাচার করত।

মঙ্গলবার হরিয়ানার পালওয়ালের বাসিন্দা ওয়াসিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারা এবং সরকারি গোপনীয়তা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে কাসুরে আত্মীয়ের বাড়িতে কাছে যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদন করেছিল ওয়াসিম। সেইসময় জাফরের সঙ্গে পরিচয় গড়ে উঠেছিল।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ওয়াসিমের ভিসার আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। ২০,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে ভিসার আবেদন মঞ্জুর করে দেওয়া হয়েছিল। তারপর ২০২২ সালের মে’তে কাসুরেও গিয়েছিল ওয়াসিম। অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তান থেকে ফেরার পরও হোয়্যাটসঅ্যাপের মাধ্যমে ওয়াসিমের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল জাফর। এমনকী ওয়াসিমের অ্যাকাউন্টে পাঁচ লাখ টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছিল। তাছাড়াও দালালদের মাধ্যমে একাধিকবার পাঠানো হয়েছিল টাকা।অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানি হাইকমিশনের জাফরকে সিমকার্ডও দিয়েছিল ওয়াসিম। দিয়েছিল ওটিপি। ভারতীয় সেনার জওয়ানদের নিয়েও বিভিন্ন তথ্য প্রদান করত বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মালেরকোটলা এবং নুহতে যেরকমভাবে চরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছিল, ঠিক সেরকমই প্যাটার্ন লক্ষ্য করা গিয়েছে ওয়াসিমের ক্ষেত্রে। 

বিষয়টির সঙ্গে অবহিত আধিকারিকরা জানিয়েছেন, অপারেশন সিঁদুরের পরে মালেরকোটলার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিযোগ উঠেছিল, ভিসা করিয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীদের চর হিসেবে ব্যবহার করত পাকিস্তানি হাইকমিশনের দানিশ। সংবেদনশালী তথ্য়ের পরিবর্তে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হত। পরবর্তীতে জ্যোতি মালহোত্রার ঘটনার সময়ও দানিশের নাম উঠে এসেছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *