Parambrata-Piya Son। ফোকলা দাঁতে গালভরা হাসি, চোখে ওভারসাইজড সানগ্লাস

Spread the love

রবিবার সকাল-সকাল নেটপাড়ার মুখে চওড়া হাসি আনল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও পিয়া সেনগুপ্তর ছোট্ট রাজপুত্র নিষাদ। ২০২৫ সালের জুন মাসে জন্ম নডি ওরফে নিষাদের। আর শুধু মা-বাবা নয়, সে সোশ্যাল মিডিয়ারও নয়নের মণি।নডির ছবি শেয়ার করে নিলেন মাম্মা পিয়া সেনগুপ্ত। এক গাল হাসি খুদের, চোখে তার একটা সাদা রঙের ওভারসাইজড সানগ্লাস। ব্রাউন রঙের টি-শার্ট গায়ে। একগাল হাসিতে দেখা গেল, উপরের পাটিতে বেশ কয়েকটা দাঁত উঠেছে নডির। যদিও নীচের পাটিতে মাত্র দুটো দাঁত। ক্যামেরায় কী সুন্দর করে পোজ দিয়েছে সে! ছেলের ছবি শেয়ার করে পিয়া লিখলেন, ‘হ্যাপি সানডে ফোকস #নডিচন্দ্র’।

নডির ছবিতে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘হ্যাঁ, কিউটি পাই, আমি জানি ২০২৬ সালের বসন্তে ওভারসাইজড সানগ্লাস একটা বড় ফ্যাশন ট্রেন্ড। হুমম… আর কেউ একজন তো ক্যামেরা দেখে একদমই লজ্জা পায় না!’ আরেকজন লেখেন, ‘ও লে বাবা! কী যে মিষ্টি লাগছে’। অন্যজন লিখলেন, ‘নডির অনেকগুলো দাঁত হয়েছে তো’!

টলিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং পিয়া চক্রবর্তী ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০২৫ সালের ১ জুন, জামাইষষ্ঠীর দিনে এই দম্পতি তাঁদের প্রথম সন্তানের জন্ম দেন। ছেলে হয় পরমব্রত ও পিয়ার। এরপর সেই বছরেরই দুর্গাষ্টমীর দিনকে প্রথমবার ছেলেকে সামনে আনেন তাঁরা। ছেলেকে পিয়া ডাকেন নডি, আর বাবা পরমব্রত ডাকেন জুনিয়র। অবশ্য গুরুগম্ভীর একটা ভালো নামও রয়েছে, নিষাদ। এই নামের প্রধান অর্থ ভারতীয় সঙ্গীতশাস্ত্রের সাতটি সুরের সপ্তম বা শেষ সুর। এই নামের আরেকটি অর্থ হলো—যাকে দুঃখ বা বেদনা ছুঁতে পারে না।

পরমব্রতর মতো গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্ত নন পিয়া। তিনি পেশায় সমাজসেবী ও স্বাস্থ্যকর্মী (Mental Health Professional) । কলকাতার একটি মানসিক স্বাস্থ্য অধিকার সংস্থায় কাজ করেন এবং HEDS (Health & Ecodefence Society) নামক সংস্থার সিইও-র দায়িত্ব পালন করছেন। সঙ্গে গায়িকাও। তাঁর ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের গান বেশ পছন্দও করেন তাঁদের অনুরাগীরা।টলিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং পিয়া চক্রবর্তী ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০২৫ সালের ১ জুন, জামাইষষ্ঠীর দিনে এই দম্পতি তাঁদের প্রথম সন্তানের জন্ম দেন। ছেলে হয় পরমব্রত ও পিয়ার। এরপর সেই বছরেরই দুর্গাষ্টমীর দিনকে প্রথমবার ছেলেকে সামনে আনেন তাঁরা। ছেলেকে পিয়া ডাকেন নডি, আর বাবা পরমব্রত ডাকেন জুনিয়র। অবশ্য গুরুগম্ভীর একটা ভালো নামও রয়েছে, নিষাদ। এই নামের প্রধান অর্থ ভারতীয় সঙ্গীতশাস্ত্রের সাতটি সুরের সপ্তম বা শেষ সুর। এই নামের আরেকটি অর্থ হলো—যাকে দুঃখ বা বেদনা ছুঁতে পারে না।

পরমব্রতর মতো গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্ত নন পিয়া। তিনি পেশায় সমাজসেবী ও স্বাস্থ্যকর্মী (Mental Health Professional) । কলকাতার একটি মানসিক স্বাস্থ্য অধিকার সংস্থায় কাজ করেন এবং HEDS (Health & Ecodefence Society) নামক সংস্থার সিইও-র দায়িত্ব পালন করছেন। সঙ্গে গায়িকাও। তাঁর ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের গান বেশ পছন্দও করেন তাঁদের অনুরাগীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *