Post Poll Violence BJP Worker Death। তৃণমূল কর্মীদের মারে মৃত্যু বৃদ্ধের

Spread the love

Post Poll Violence: ২০২১ সালের মতো না হলেও ২০২৬ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় বলি হয়েছেন অনেকেই। সেই তালিকায় আরও একটি নাম জুড়ল। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটে বিজেপির বিপুল জয় উদযাপন করতে বাজি ফাটিয়েছিল নাতি। এর খেসারত দিতে হল ঠাকুর্দাকে। তৃণমূল কর্মীরা চড়াও হয়েছিল বৃদ্ধ এবং তাঁর ছেলের ওপরে। সেই হামলায় গুরুতর জখম হয়েছিলেন ২ জনেই। এর মধ্যে গত ৯ মে মৃত্যু হল বৃদ্ধের। মৃতের নাম জগদীশ বসাক, বয়স ৬৬ বছর। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা তাঁর পুত্রের নাম জয়ন্ত বসাক, বয়স ২৮ বছর। দু’জনেই বিজেপি কর্মী-সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন এলাকায়।

জানা গিয়েছে, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় জগদীশ বসাককে প্রথমে শিলিগুড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই তিনি মারা যান চিকিৎসাধীন অবস্থায়। বাবা-ছেলের ওপর হামলার ঘটনায় গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ৪ জনতে গ্রেফতার করেছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৫ মে বাড়ির সামনে বাজি ফাটিয়ে জয়শ্রীরাম স্লোগান তুলেছিল নাতি। এরপরই কয়েকজন তৃণমূল কর্মী চড়াও হয় জগদীশ বসাকের বাড়িতে। জগদীশ বসাকের বাড়ির টিনের গেট ভাঙচুর করে। তাঁর মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে। তাঁর ছেলে জয়ন্ত বসাকের গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারা হয় বলেও অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার করে প্রথমে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর শিলিগুড়ি, তারপর কলকাতায় নিয়ে চেষ্টা করেও বৃদ্ধ জগদীশকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে নিউটাউন, হাওড়া সহ বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের খুন করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আবার বহু স্থানে তৃণমূল কর্মীরাও আক্রান্ত হচ্ছে বিজেপির হাতে। এই আবহে ভোট পরবর্তী হিংসায় রক্ত ঝরেই চলেছে বঙ্গে। এর আগে ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় বহু বিজেপি কর্মী খুন হয়েছিলেন। ৯ মে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের দিন সেই ‘শহিদদের’ নাম খোদাই করে ফলক বসিয়েছিল বিজেপি। অভিযোগ, ৫ বছর আগে উত্তরবঙ্গে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের সন্ত্রাস এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কয়েকশো পরিবারকে বাংলা ছেড়ে পড়শি রাজ্য অসমে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। এবার পরিস্থিতি ততটা খারাপ না হলেও জায়গায় জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হিংসা জারি আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *