জি বাংলায় শুরু হতে চলেছে সারেগামাপা-র নতুন সিজন। বরাবরই রিয়েলিটি শো নিয়ে নানা বিতর্ক শোনা যায়। বেশিরভাগেরই দাবি, চেনাজানা থাকলে এই মঞ্চগুলিতে তরতর করে এগিয়ে যাওয়া যায়। কদিন আগে ২০১৫ সালের ‘সারেগামাপা’ বিজয়ী সৌম্য চক্রবর্তী যেমন দাবি করেছিলেন যে, নিজের ব্যক্তিগত প্রভাব কাটিয়ে কীর্তন শিল্পী অদিতি মুন্সি নানান সুবিধা পেয়েছিলেন। তাঁকে বেশি প্রধান্য দিত বিচারকরা। এমনকী, বেশিরভাগ প্রোমোতেই থাকত অদিতিরই মুখ।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গায়িকা পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সত্যিই কি রিয়েলিটি শো-তে সুবিধা পেতে গেলে সুপারিশ লাগে? এর জবাবে সঙ্গে সঙ্গীতা পডকাস্টে গায়িকা বলেন, ‘মোট ৫টা রাউন্ডে অডিশন হয়েছিল। আমি কাওকে চিনি না। বাকিদের সব একে চেনা, ওকে চেনা। আমি যে প্ল্যাটফর্মটার কথা বলছি তাতে না লাগে ব্যাকিং, না কিছু। তার জন্য অমুক টাকা, অমুক স্যার, তমুক নেতা, কিচ্ছু লাগে না। আমার লাগেনি। আমি তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। আর আমি এটা অহংকার করে বলি।’
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে জি বাংলার সারেগামাপা-তে অংশ নিয়েছিলেন শান্তিনিকেতনের মেয়ে পৌষালি। এখান থেকেই তিনি তিনি শীর্ষ ১০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে জায়গা করে নেন। মাটি ঘেঁষা কণ্ঠস্বর এবং শক্তিশালী গায়কির জন্য তিনি নিমেষেই গোটা বাংলার মানুষের মনে জায়গা করে নেন।
পৌষালী ব্যানার্জির ছোটবেলার বেশিরভাগ সময় কেটেছে আসানসোলের চিত্তরঞ্জনে। যদিও এরপর চলে যান কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে। মাত্র চার বছর বয়সে নিজের থেকেই গানে হাতেখড়ি। তাঁর মা-ই ছিলেন তাঁর জীবনের প্রথম সঙ্গীত গুরু। শ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীতে এমএ পাশ করেন। লোকসংগীত দিতে বর্তমানে পৌষালী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক জমজমাট স্টেজ শো বা লাইভ পারফরম্যান্স করে চলেছেন।
