সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য কুখ্যাত পাকিস্তান সম্প্রতি ভারতের কাছে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ মাত খেয়েছে। তারপরও শোধরায়নি ইসলামাবাদ। কাশ্মীর ইস্যু তুলতে থাকে। তারপরেও তাদেরই মুখ পোড়ে। এবার এক পাকিস্তানি নিউজ অ্যাঙ্কর রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের সামনে কাশ্মীর ইস্যু তুলে চরমভাবে অপমানিত হলেন। রাশিয়া ভারতকে সমর্থন করে পাকিস্তানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে এটি একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়। পাকিস্তানি নিউজ অ্যাঙ্কর একটি শোয়ে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত অ্যালবার্ট খোরেভের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে তিনি কাশ্মীর ইস্যু তোলেন এবং আশা করেন যে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত যেহেতু তাঁর অনুষ্ঠানে এসেছেন, তাই হয়তো তিনি পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে কথা বলবেন।
পাকিস্তানের মুখ পড়ল রাশিয়ার সামনে
অ্যাঙ্কর জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনার কি মনে হয় যে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী কাশ্মীর বিবাদ সমাধানে ভারতের দ্বিধা পারমাণবিক যুদ্ধের কারণ হতে পারে?’ এর জবাবে ইসলামাবাদে নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত অ্যালবার্ট খোরেভ সাফ জানিয়ে দেন যে ‘রাশিয়া মনে করে পাকিস্তান এবং ভারতের কাশ্মীর বিবাদ শুধুমাত্র দ্বিপাক্ষিক স্তরেই সমাধান করা উচিত। আমরা মনে করি যে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কারণেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান প্রভাবিত হয়েছে।’
আসলে পাকিস্তান মাঝেমধ্যেই কাশ্মীর ইস্যুকে আন্তর্জাতিক করে তোলার চেষ্টা করে। কখনও তারা আমেরিকার শরণাপন্ন হয়, আবার কখনও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করে।
ভারতের হাতে পায়ে ধরেছিল পাকিস্তান
‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের হাতে লজ্জাজনকভাবে পর্যদুস্ত হয়েছে পাকিস্তান: পহেলগাঁওয়ে ২২ এপ্রিল হওয়া জঙ্গি হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছিল। ভারত প্রথমে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিন্ধু জল চুক্তি বাতিল করে বড় পদক্ষেপ নেয়। তারপর ৬-৭ মে রাতে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায়।

পাকিস্তান এবং পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গি ঘাঁটিতে নিশানা করে। এতে লস্কর এবং জইশের ১০০ জনেরও বেশি জঙ্গি নিহত হয়। পাকিস্তানও চিন এবং তুরস্কের সাহায্যে ভারতের উপর হামলার ব্যর্থ চেষ্টা করে, কিন্তু কখনও সফল হতে পারেনি। এরপর ভারত পাকিস্তানের একাধিক এয়ারবেসে মিসাইল এবং ড্রোন হামলা চালিয়ে সেগুলিও ধ্বংস করে দেয়। চারদিন পরে সংঘর্ষবিরতির জন্য পাকিস্তান ভারতের হাতেপায়ে ধরেছিল।