Salman Khan: ‘কালা হিরণ দ্য ব্যাটেল ফর লিগ্যাসি’, এই ছবিটির প্রথম ঝলক প্রকাশে আসার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বিতর্ক। অনুমতি ছাড়াই এমন একটি ছবি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সলমন। ভাইজানের এই বক্তব্যের পরেই সিনেমা ছেড়ে বেরিয়ে আছেন একের পর এক অভিনেতা। তবে এবার দিল্লি হাইকোর্ট এই সিনেমার বিরুদ্ধে কড়া মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে, অর্থাৎ আপাতত অপেক্ষা করতে হবে ভাইজানকে।
লাইভ ল ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সলমন খানের আইনজীবী সন্দীপ শেট্টি আদালতের কাছে অন্তর্ভুক্তি সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছেন। অভিনেতার অনুমতি ছাড়াই তার জীবন নিয়ে ছবি তৈরি করা হচ্ছে, যেটা একেবারেই অনৈতিক কাজ। এই আবেদন করে ভাইজানের আইনজীবী অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিলেন, যার যা ভাবে আপাতত শুনানি স্থগিত রাখে আদালত।
বিচারপতি মধু জয়ীনের অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটি উঠলে নির্মাতাদের পক্ষের আইনজীবী ভাইজানের আবেদনের জবাব দেওয়ার জন্য সময় চেয়ে নেন। তিনি জানান, বুধবার সলমনের পক্ষ থেকে আবেদনের কপি পেয়েছেন তাড়াতাড়ি জবাব দেওয়ার জন্য সময় লাগবে। যদিও এর বিরোধিতা করে অভিনেতার আইনজীবী জানান, নোটিশ আগেই পাঠানো হয়েছে এবং আদালতে তার সার্ভিস সংক্রান্ত হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে।
সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত রায় দেয়, ছবির প্রযোজক এবং পরিচালকের আইনজীবী সম্প্রতি মামলা নথি পেয়েছেন তাই মামলার শুনানি আপাতত স্থগিত থাকবে। আগামী শুনানি আগামী ১ জুলাই।

বিতর্ক প্রসঙ্গে
সলমন খান ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটেল ফর লিগ্যাসি’ ছবিটির মুক্তি বন্ধ করতে আদালতে আবেদন করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ছবিটিতে তাঁর ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলা এবং গ্যাংস্টার লরেন্স বিশ্নইয়ের সঙ্গে তাঁর কথিত উত্তেজনার অননুমোদিত চিত্রায়ন করা হয়েছে।
ভাইজানের আইনজীবীর বক্তব্য, প্রধান চরিত্রটির সাথে সলমন খানের চেহারার অনেক মিল এবং তাকে তার ট্রেডমার্ক ফিরোজা নীল ব্রেসলেট পরা অবস্থায়ও দেখানো হয়েছে। টিজারে চরিত্রটিকে একটি বন্দুক হাতে ধরে থাকতেও দেখা যায়, যা বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকর, বিশেষ করে যেহেতু বাস্তব জীবনে খান অস্ত্র আইনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন। ভাইজানের টিম যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ছবিটি তথ্য বিকৃত করেছে এবং মনোযোগ আকর্ষণ ও মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে তার অনুমতি ছাড়াই অভিনেতার জীবনকাহিনী ব্যবহার করেছে।