Saudi gives $3 Billion to Pakistan। ৩ বিলিয়ন ডলারের ‘সহায়তা’! সৌদির কাছে হাত পেতে UAE-র ধার শোধ পাকিস্তানের?

Spread the love

সৌদি আরবের থেকে ৩ বিলিয়ন ডলারের ‘অতিরিক্ত সহায়তা’ পেল পাকিস্তান। আজ এমনটাই জানালেন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মহম্মদ ঔরঙ্গজেব। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৩.৪৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে। এই আবহে নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ থেকে সেই টাকা না দিয়ে ‘হাত পাতল’ পাকিস্তান। এদিকে সৌদি বা চিনের কাছে হাত পেতেই যে পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঋণ শোধ করতে পারে, সেই ইঙ্গিত মিলেছিল পাক অর্থমন্ত্রীর কথাতেই। এই আবহে সৌদি থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার ‘সহায়তা’ আসতেই মনে করা হচ্ছে, এই টাকাই সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দেবে পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, আকাশছোঁয়া তেলের দামের মধ্যেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের টাকা ফেরত দিয়ে নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্তর বজায় রাখতে চাইছে পাকিস্তান। এই আবহে পাকিস্তানি অর্থমন্ত্রী মহম্মদ ঔরঙ্গজেব ব্লুমবার্গকে বলেছিলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঋণ পরিশোধ করতে ‘সব বিকল্প’ খতিয়ে দেখছে পাকিস্তান। সেই ‘বিকল্প’ আদতে ‘হাত পাতা’ তা এখন আরও স্পষ্ট। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঋণ ‘রোল ওভার’ করতে আলোচনায় বসেছিল পাকিস্তান। তবে সেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। এই আবহে ৩.৪৫ বিলিয়ন ঋণ ফেরত দিতে বলে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৭ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ছিল ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের প্রায় ১৮ শতাংশ হল আমিরাতি ঋণের পরিমাণ। তিন মাসের আমদানির জন্য যা যথেষ্ঠ। তবে নিজের পকেট থেকে যদি পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতের টাকা ফিরিয়ে দিত, তাহলে এই রিজার্ভে জোর ধাক্কা লাগত। অনেক বিশ্লেষকের অনুমান, সৌদির সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির জেরেই সংযুক্ত আরব আমিরাত কঠোর হয়েছে ইসলামাবেদর ওপর। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আইএমএফ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চিন এবং সৌদি আরবের থেকে আর্থিক সহায়তা নিয়ে নিজেদের অর্থনীতি কিছুটা স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এভাবে এক ঝটকায় ঋণ পরিশোধ করতে বলায় জোর ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান।

সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক চুক্তির জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিরক্ত। সৌদি-পাক চুক্তির পরই ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এদিকে আবার পাকিস্তানের ফৌজি ফাউন্ডেশনের শেয়ারের বদলে টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে এখন সেই প্রতিশ্রুতির কী হবে, তা স্পষ্ট নয়। এই ফৌজি ফাউন্ডেশন আদতে পাকিস্তানি সেনার পরিচালিত একটি কর্পোরেট সংস্থা। যারা কি না, পাচার থেকে শুরু করে খাবার বিক্রির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *