Shivam Dube update। প্লেন কিম্বা গাড়ি নয়!বিশ্বকাপ জিতে শিবম কেন ট্রেনে এসি ৩ টিয়ার কোচে ফিরলেন মুম্বই?

Spread the love

সবেমাত্র টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। বিশ্বকাপ জয়ী দলকে কুর্নিশ জানাচ্ছে গোটা বিশ্ব। এদিকে, আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ফাইনালের পর সব ভারতীয় ক্রিকেটাররাই ধীরে ধীরে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। ঘরের ছেলেকে সংবর্ধনায় বরণ করে নিচ্ছে বিভিন্ন রাজ্য। সঞ্জু থেকে ঈশান, বিমানবন্দরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের জন্য রাজকীয় অভ্যর্থনার বন্দোবস্ত দেখা গিয়েছে বহু জায়গায়। তারই মাঝে ভারতের বিশ্বকাপ স্টার শিবম দুবে তাঁর বাড়ি মুম্বইতে ফিরলেন। তবে বিমানে চড়ে নয়, আমদাবাদ থেকে তিনি মুম্বইতে পৌঁছন সোজা ট্রেনে চড়ে! ভারতীয় ক্রিকেটের এই তাবড় স্টার কেন ট্রেনকে বেছে নিলেন, বিমান কেন নয়?

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-র রিপোর্ট বলছে, শিবম দুবে, তাঁর স্ত্রী অঞ্জুম, ও শিবমের এক বন্ধু মিলে আমদাবাদ থেকে মুম্বই ফিরতে ট্রেনে চড়ে বসেন। বিমানে কেন উঠলেন না এই স্টার? রিপোর্ট বলছে, বিশ্বকাপের ফাইনালের ম্যাচের পর পর আমদাবাদ থেকে মুম্বইয়ের সব বিমানের টিকিট বুক ছিল। ফলত বিমানের টিকিট পাননি এই স্টার ভারতীয় ক্রিকেটার। আর খেলার শেষে তিনি চাইছিলেন তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরতে। বাড়িতে তাঁর জন্য অপেক্ষায় ছিল তাঁর ছোট্ট দুই সন্তান, ছেলে আয়ান ও মেয়ে মেহউইশ। তাদের সঙ্গে দেখা করতেই বেশি আগ্রহী ছিলেন শিবম।

উল্লেখ্য, শিবমকে ট্রেনে চড়তে দেখে, অনেকেই হয়তো ভিড় জমিয়ে ফেলতেন। তাই সেক্ষেত্রেও সন্তর্পণেই তিনি ট্রেনে চড়ে বসেন। প্রশ্ন যায়, একাধিক বিলাসী গাড়ির মালিক হয়েও, কেন আমদাবাদ থেকে মুম্বই আসতে গাড়ি নিলেন না শিবম? তাঁর উত্তর, ‘ কোনও বিমান ছিল না, তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে খুব ভোরে আমদাবাদ থেকে মুম্বাই যাওয়ার ট্রেন ধরব। আমরা সড়কপথে যেতে পারতাম, কিন্তু ট্রেনই দ্রুত( অপশন) ছিল।’ তিনি আরও বলছেন,’আমি, আমার স্ত্রী এবং এক বন্ধু ট্রেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। থার্ড এসির টিকিট পাওয়া যাচ্ছিল, তাই আমরা সেগুলো বুক করার সিদ্ধান্ত নিলাম। যাদের সাথে আমরা কথা বলেছি তারা সবাই চিন্তিত ছিলেন ( এটা ভেবে যে), যদি কেউ স্টেশনে বা ট্রেনের ভেতরে আমাকে চিনতে পারেন?’ চিন্তা ছিল যে, যদি কেউ শিবমকে চিনে ফেলেন, তাহলে তাঁর নিরাপত্তা কি শঙ্কার মুখে পড়বে?

জন সাধারণের নজর এড়াতে কীভাবে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করেছিলেন দুবে? বলছেন নিজেই। শিবম জানান,’আমি একটা টুপি, একটা মাস্ক আর একটা ফুল-স্লিভ টি-শার্ট পরেছিলাম। ভোর ৫.১০ টার ট্রেন ছিল, তাই আমরা আশা করেছিলাম প্ল্যাটফর্মে খুব বেশি লোক থাকবে না।’ এখানেই শেষ নয়। যাতে কিছুতেই কেউ চিনতে না পারেন, তার জন্য আরও এক কৌশল নেন দুবে। তিনি বলছেন,’আমি আমার স্ত্রীকে বললাম যে ট্রেন ছাড়ার পাঁচ মিনিট আগে পর্যন্ত আমি গাড়িতে অপেক্ষা করব। এরপর, আমি তাড়াহুড়ো করে ট্রেনে উঠব।’ ২২ গজে তাঁর দাপুটে শটের মতোই দুবের এই প্ল্যানিংও সফল হয়। শেষমেশ বাড়ি পৌঁছন দুবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *