এসআইআরের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, বাংলায় এসআইআরের ‘চূড়ান্ত তালিকায়’ ৬৩ লাখ লোকের নাম বাদ পড়েছে। এছাড়া আরও প্রায় ৬০ লাখ ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। এই আবহে বিচারাধীন ভোটারদের যোগ্যতা বিচার করতে বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। সেই মতো এখনও পর্যন্ত ২৯ লক্ষ বিচারাধীন নাম নিয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এই ২৯ লাখ ভোটাররে মধ্যে কতজনের নাম বাদ পড়েছে এবং কতজনের নাম আছে, তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি। তবে এর আগে একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে প্রায় ১০ লাখ ভোটারের নাম বাদ গিয়ে থাকতে পারে। এরপর আরও প্রায় ৩১ লাখ ভোটারের নাম নিষ্পত্তি করার কাজ বাকি থাকবে।
উল্লেখ্য, গতকাল প্রাথমিক ভাবে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, রাত ৯টা নাগাদ প্রকাশিত হবে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। তবে পরে গিয়ে মধ্যরাতের কিছু আগে প্রকাশিত হয়। রাত প্রায় পৌনে বারোটা নাগাদ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট আপলোড করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। সেখানে গিয়েই নিজের নাম খুঁজতে পারেন ভোটাররা। এর জন্য voters.eci.gov.in ওয়েবসাইটে যেতে হবে। অথবা এই লিঙ্কে ক্লিক করে সরাসরি তালিকা ডাউনলোডের পেজে চলে যেতে পারেন – https://voters.eci.gov.in/download-eroll?stateCode=S25। এছাড়া জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে তালিকা দেখতে পারেন। এছাড়া এসিডও ও এডিএম-এর অফিসে গিয়ে তালিকা দেখতে পারবেন। প্রত্যেক বুথে বুথেও তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার কথা।
ওপরে উল্লেখিত লিঙ্কে গেলে রাজ্যের নাম, ভোটার তালিকা সংশোধনের বছর, রোলের ধরন, জেলা, বিধানসভা কেন্দ্র, ভাষা বেছে নিয়ে ক্যাপচা দেবেন। এরপর নীচে তালিকা আসবে। সেখান থেকে নিজের বুথের পাশে ক্লিক করে বেছে নিতে হবে এবং তা ডাউনলোড বোতামে টিপতে হবে। তারপরই সংশ্লিষ্ট পিডিএফ ডাউনলোড হয়ে যাবে। আপনার নাম তালিকায় আছে কি না, তা দেখতে অ্যাডজুডিকেশন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট নম্বর ১ বিকল্পটি বেছে নেবেন ‘রোলের ধরন’ (রোল টাইপ) থেকে। আর যদি সেই তালিকায় আপনার নাম না থাকে, তাহলে রোলের ধরন থেকে অ্যাডজুডিকেশন ডিলিটেড লিস্ট নম্বর ১-এ গিয়ে নাম খুঁজতে পারেন। নাম বাদ দেওয়া হলে আপিল করা যাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক-বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইবুনালে। এই ধরনের নিষ্পত্তির জন্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে। রাজ্যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিচারাধীন ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া বা তালিকায় রাখার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন নিজে থেকে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।
