বিতর্ক নিত্য সঙ্গী কাঞ্চন-শ্রীময়ীর। আলোচনা-সমালোচনা ঘিরে থাকে এই তারকা দম্পতিকে। ২৬ বছর বয়সে ‘বাবার বয়সী’ দু-বার ডিভোর্সি কাঞ্চনকে বিয়ে করে আলোচনায় উঠে এসেছিলেন শ্রীময়ী। বিয়ের বছর ঘোরবার আগেই মা হন অভিনেত্রী।
একরত্তি কৃষভিকে নিয়ে ভরা সংসার দুজনের। কাঞ্চন কন্যা বাবার জেরক্স কপি। বাবা-মা’কে যতই কটাক্ষের মুখে পড়তে হোক, কৃষভি কিন্তু সমাজমাধ্য়মের ভাইরাল কিড। অধিকাংশ মানুষই ভালোবাসায় মুড়ে দেন খুদেকে। তবে ব্য়তিক্রমও রয়েছে। অনেকেই এক বছরের কৃষভিকে কটাক্ষ করতে ছাড়ে না। অনেক সময় সেই ট্রোলিং-এর মাত্রা শালীনতার সব সীমা ছাড়িয়ে যায়।
বাবার মতো দেখতে হয়েছে কৃষভিকে, সেই নিয়ে লোকের নানান মত। সিটি সিনেমার তরফে সেই নিয়ে জানতে চাওয়া হলে শ্রীময়ী চাঁচাছোলা ভাষায় বলেন, ‘দেখুন বাবা-মা’র সহবাসের ফলে কৃষভি এসেছে তো। তাই বাবা-মা’র রক্ত থাকবে। ওর মধ্যে বাবা-মা’র বহিঃপ্রকাশ তো থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। আপনি হয়ত বাবার মতো না হয়ে পাশের পাড়ার পচাকাকুর মতো হয়েছেন, সেটা আপনার বাবা-মা’র প্রবলেম। এবার যদি মায়ের মতো অপদার্থ হয়, তাহলেও তাই হয়েছে। আপনার মতো পদার্থ তো হয়নি, জন্তু তো হয়নি’।
ট্রোলকে পাত্তা দেন না দুজনেই। তাই নিজের পোস্টের কমেন্ট সেকশন বন্ধ করতেও রাজি নন শ্রীময়ী। বউয়ের সাফ কথা, কাঞ্চন নিজের পোস্টের কমেন্ট পড়ে না। আর শ্রীময়ী শ্যুটিংয়ের ফাঁকে সময় পেলে ‘বিচুটি পাতার মতো’ জবাব দেন ট্রোলারদের। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েকে বলেছে, এক রাতে রেট কত। আমার মেয়ের এক রাতের রেট বোঝার ক্ষমতা হয়নি। আমার মেয়ের বাবা-মা এখনও বেঁচে আছে। ওর রোজগার করার কোনও দরকার নেই, রেট জানারও দরকার নেই। যে বলছেন, তার মায়ের রেটটা জানলে ভালো হয়। যে বলছেন, তার স্ত্রী, সন্তানের রেটগুলো আমাকে লিখে পাঠাবেন। যেখানে আপনি ওদের পাঠিয়েছেন, রেটগুলো আমাকে জানান’।

শ্রীময়ী বলেন চাইলে তিনি চাইল্ড কমিশনে যেতে পারেন, কিংবা পুলিশে এফআইআর করতে পারেন। তিনি সেটা করতে চান না, কারণ আদালতে তাঁর মেয়ের নামটাও উঠবে। তবে ট্রোলারদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে জানিয়েছেন, চাইলে তিনি সরকারি জায়গায় তাঁদের মানসিক চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থাটুকু করে দিতে পারবেন।