US Plane Crashed amid Iran War। ইরান যুদ্ধের আবহে চতুর্থ সামরিক বিমান হারাল আমেরিকা

Spread the love

ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাতের মধ্যে আরও একটি বিমান হারাল মার্কিন বাহিনী। ভেঙে পড়া বিমানটি ‘কেসি-১৩৫’। বিমানটি আকাশে অন্য বিমানে জ্বালানি ভরার সময় ভেঙে পড়ে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, কোনও গুলি লেগে বিমানটি ভেঙে পড়েনি। এর আগে বন্ধুরাষ্ট্রের গুলিতে তিনটি যুদ্ধবিমান হারিয়েছিল আমেরিকা। কুয়েতে আমেরিকার তিনটি এফ১৬ যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছিল। এহেন পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধ চলাকালীন, এই নিয়ে ৪টি বিমান ‘দুর্ঘটনায়’ হারাল আমেরিকা।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ১২ মার্চ ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর বিমানটি ভেঙে পড়েছিল। এই ঘটনার পর ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের অফিসিয়াল বিবৃতি অনুসারে, দুটি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার বিমান এই ঘটনায় জড়িত ছিল। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে এই দুটি বিমান দূরপাল্লার মিশনে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহ করছিল। মিশন চলাকালীন, একটি কেসি-১৩৫ বিমান নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। তবে অন্যটি পশ্চিম ইরাকে ভেঙে পড়েছিল। কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে দুর্ঘটনাটি বন্ধুরাষ্ট্রের আকাশসীমায় ঘটেছে।

কেসি-১৩৫ ‘স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার’ মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিমানটি আকাশে যুদ্ধবিমান এবং অন্যান্য সামরিক বিমানের জ্বালানি ভরতে সক্ষম। ইরানের মতো বিশাল ভৌগোলিক অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে এই ট্যাঙ্কার বিমানগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের একযোগে ইরানের ওপর হামলার পর থেকে পুরো অঞ্চলটি যুদ্ধের আগুনে পুড়ে চলেছে। এই সংঘর্ষে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রতিনিয়ত জানমালের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৭ জন আমেরিকান সৈন্য প্রাণ হারিয়েছেন। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এই যুদ্ধে প্রায় ১৫০ আমেরিকান সৈন্য আহত হয়েছে। সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আমেরিকার কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর জেরে সৌদি সহ বহু দেশ থেকে মার্কিনিদের সরিয়ে নিতে হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। এছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমেরিকাকে ‘এক ফোঁটা’ তেলও নিতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে ইরান। এখনও পর্যন্ত অন্তত ২০টি তেলের ট্যাঙ্কার ধ্বংস করেছে তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *