USA Pakistan। ‘প্রস্তুত ও সম্মানিত’! পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট শেয়ার ট্রাম্পের

Spread the love

গুঞ্জন ছিলই। সন্ধ্যা গড়াতেই তাকে নিশ্চিত করে দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ইরান যুদ্ধের মধ্যস্থতার আলোচনা আয়োজন হচ্ছে ইসলামাবাদে বলে জানিয়েছেন শেহবাজ শরিফ। এদিন এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি সেই বার্তা জানান। খানিক পরই সেই পোস্ট আবার শেয়ার করে নেন পাকিস্তানের সঙ্গে নতুনভাবে কূটনৈতিক সখ্যতায় থাকা আমেরিকা।

পাকিস্তানের প্রতিবেশি দেশ ইরানের ওপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। সদ্য আমেরিকার তরফে সেই হামলার বিষয়ে নরম মনোভাব আসে। এরপর শোনা যাচ্ছিল, ইসলামাবাদে বসছে দুই পক্ষের আলোচনার আসর।

উল্লেখ্য, একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করেছে, পাকিস্তানে ইতিমধ্যেই সরকারি কর্মীদের একাংশের বেতনে কাটছাঁট হয়েছে। জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বাঁচাতে বেশ বিপাকে পড়েছে ইসলামাবাদ। এরই মাঝে সেদেশের পিএসএল টি ২০ লিগের আয়োজনে রয়েছে টিটিপির মতো সংগঠনের রোষ নজর। এছাড়াও সন্ত্রাসের সূচকের তালিকায় পাকিস্তান ফার্স্ট! ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের প্রকাশিত সর্বশেষ গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্স প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোটা বিশ্বের মধ্যে সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ পাকিস্তান। ফলত, এককালে সন্ত্রাসবাদী লাদেনকে আশ্রয় দেওয়া, সন্ত্রাসের আঁতুরঘর পাকিস্তানে নিরাপত্তা ইস্যু সবসময়ই প্রশ্নের মুখে থাকে! এমন এক দেশকেই ইরান বনাম আমেরিকা যুদ্ধের মধ্যস্থতার আলোচনার দেশ হিসাবে বেছে নেওয়া হচ্ছে। যদিও এই যুদ্ধে ইজরায়েল অপর নাম। ইরানের সঙ্গে তাদের শত্রুতা পুরনো। তবে পাকিস্তানের সঙ্গে আবার ইজরায়েলের সম্পর্ক ঠান্ডা। এই প্রেক্ষাপটে হতে চলেছে আলোচনা।

এদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, এক পোস্টে লেখেন, ‘ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্মতি সাপেক্ষে, চলমান সংঘাতের একটি পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য অর্থপূর্ণ ও চূড়ান্ত আলোচনা সহজতর করতে আয়োজক হতে পাকিস্তান প্রস্তুত ও সম্মানিত বোধ করছে।’ সঙ্গে সঙ্গে সেই পোস্টকে শেয়ার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানা যাচ্ছে, আমেরিকার তরফে এই আলোচনায় অংশ নিতে ইসলামাবাদ পৌঁছতে পারেন জেডি ভান্স।

এদিকে, আজই সন্ধ্যে নাগাদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ফোন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানা গিয়েছে, হরমুজ নিয়ে কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। ভারতে অবস্থিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত গোর বলেন, ‘পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অসাধারণ ধারণা রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গন উন্মুক্ত করাই ছিল আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় প্রধানমন্ত্রী মোদীর সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানান।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *