VHP Durga Puja Non-Veg Food Rule: দুর্গাপুজোয় মুরগি, খাসি বা কোনও আমিষ খাবার খাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে? যে বাঙালিরা পুজোর সময় কবজি ডুবিয়ে খেতে অভ্যস্ত, তাঁদের স্রেফ নিরামিষ খাবারের উপরে নির্ভর করে থাকতে হবে? গত কয়েকদিন ধরে সেই বিষয়টি নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেই আবহে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় মার্গদর্শক মণ্ডলীর সদস্য নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী দাবি করলেন, দুর্গাপুজোর সময় আমিষ খাওয়ার উপরে কোনওরকম বিধিনিষেধ জারি করা হয়নি। শুধু মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকায় আমিষ খাবার না খাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ছাগবলি কি দেওয়া যাবে?
তিনি বলেন, ‘প্রশ্নটাই করা হয়েছিল, মণ্ডপের মধ্যে আমিষ খাওয়া যাবে কিনা। আমি এখানে সেটাই উত্তর দিচ্ছি যে মণ্ডপের বাইরে কোনও নির্দিষ্ট খাবার জায়গায় যেখানে আপনারা খাওয়া-দাওয়া করবেন। যেখানে মায়ের পুজো হচ্ছে, সেই পুজো মণ্ডপের পবিত্রতা বজায় রাখার জন্য (এই আবেদন করা হয়েছে)। কেউ পরম্পরা অনুযায়ী, ছাগবলি করতে পারেন। কেউ ফলবলি দিতে পারেন। সেখানে বলি হবে কিনা, মা’কে আমিষ ভোগ দেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে কোনও প্রশ্ন করা হয়নি।’
গর্ভগৃহে তো এঁটোকাঁটা ফেলা যায় না, সাফ বার্তা VHP-র
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় মার্গদর্শক মণ্ডলীর সদস্য আরও দাবি করেন, পুজোর সময় আমিষ খাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে তাঁর উত্তর বিকৃত করা হয়েছে। বেলুড় মঠ হোক বা অন্য কোনও মন্দির হোক- কোথাও গর্ভগৃহে এঁটোকাঁটা ফেলে রাখা যায় না। দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রেও সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় মার্গদর্শক মণ্ডলীর সদস্য।

‘পুজোয় আমিষ খাবার ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকা উচিত’
তারইমধ্যে দুর্গাপুজোর সময় নিরামিষ খাওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেত্রী। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ প্রদেশ সভাপতি উপাসনা অরোরা দাবি করেছেন যে ভারতীয় সংস্কৃতিতে দুর্গাপূজার সময় বাড়িতে আমিষ খাবার খাওয়া ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকার রীতি রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ যে নির্দেশিকা জারি করেছে. তার সমর্থন জানান ওই নেত্রী।
যদিও পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রে আমিষ খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার বিষয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় মার্গদর্শক মণ্ডলীর সদস্য।