সরাসরি কিছু বললেন না। কিন্তু সাত মাস পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে নামার আগে বিরাট কোহলি বুঝিয়ে দিলেন যে ২০২৭ সালের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই এগিয়ে যাচ্ছেন। ভারতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর-সহ টিম ম্যানেজমেন্টকে বার্তা দিলেন, খেলাটা তিনি জানেন। অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। যে জায়গাটা নিয়ে কারও কারও সন্দেহ থাকতে পারে, সেই ফিটনেসও বজায় রেখেছেন। একটা লম্বা বিরতির পরে নিজেকে আরও বেশি করে চনমনে এবং অত্যন্ত ফিট মনে হচ্ছে। আর সেই পরিস্থিতিতে ফলটা ভালোই হবে বলে আশাবাদী বিরাট।
আর ভারতের তারকা ক্রিকেটার সেই বার্তাটা দেন অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ফক্স ক্রিকেটের সাক্ষাৎকারে। রবিবার পার্থে প্রথম একদিনের ম্যাচের আগে ওই সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ তথা ধারাভাষ্যকার রবি শাস্ত্রী প্রশ্ন করেন যে লম্বা একটি বিরতির পরে মাঠে ফিরে কেমন লাগছে, প্রস্তুতি কেমন হয়েছে।
আগের থেকেও ফিট আমি, হুংকার বিরাটের
সেই প্রশ্নের জবাবে বিরাট বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে শেষ ১৫-২০ বছরে আমি যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলেছি, তাতে কার্যত কোনও বিশ্রাম নিইনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং আইপিএল মিলিয়ে শেষ ১৫ বছরে আমি সম্ভবত সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছি। তাই আমার কাছে এই বিরতির সময়টা অত্যন্ত প্রাণবন্তকর ছিল। আমার নিজেকে আগের মতোই ফিট মনে হচ্ছে।’
গম্ভীরদের স্পষ্ট বার্তা বিরাটের
বিরাট আরও বলেন, ‘এমনকী (কেরিয়ারে) সবথেকে বেশি ফিট হলেও (অবাক হব না)। চনমনে ও সতেজ থাকার ব্যাপারটা আমি অনুভব করতে থাকেন। যখন আপনি জানেন যে খেলতে পারেন এবং মানসিকভাবে তৈরি পারেন, তখন শারীরিক বিষয়ের দিকে নজর দিতে হয়। এই বয়সেও আমি অনুভব করতে পারছি যে আমি ফিট আছি। যদি রিফ্লেক্স ঠিক থাকে, তাহলে কোনও সমস্যা হবে না। কারণ খেলার ধারণাটা আছে।’

‘নিজেকে চনমনে হচ্ছে’, বললেন বিরাট
সেই রেশ ধরে বিরাট বলেন, ‘আমার নিজেকে চনমনে হচ্ছে। নেট এবং ফিল্ডিং সেশনে বেশ ভালো নড়াচ়ড়া করেছি। আপাতত সবকিছু ঠিকঠাক আছে।’ আর বিরাটের ভক্তরা এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ফ্যানরাও চাইবেন যে সবকিছু যেন ঠিকঠাক থাকে। আর তাঁদের আশা জোগাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায় বিরাটের রেকর্ড। অস্ট্রেলিয়ায় ৩০টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন ভারতীয় তারকা। করেছেন ১,৩২৭ রান। সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৩ রান। গড় ৫১.০৩। পাঁচটি শতরান করেছেন। অর্ধশতরান করেছেন ছ’টি।