আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন বলে দাবি করেন। বিশ্বের কাছে নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে তুলে ধরেন। কয়েক ঘণ্টা আগেই দাবি করেছেন যে কমপক্ষে ২৫,০০০ আমেরিকানের মৃত্যু রুখে দিয়েছেন। নিজের প্রশংসায় মত্ত থাকা ব্যক্তিকে ‘গাছে’ তুলে দিয়েছেন কয়েকজন ‘চাটুকরও’। আর সেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এবার নিজের দেশেই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী মনোভাব ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন মানুষ। রাস্তায় নেমেছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যরাও। সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমেরিকার বিভিন্ন শহর মিলিয়ে ২,৬০০-র বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় দফায় কুর্সিতে বসার পরে ট্রাম্প যে গণতান্ত্রিক রীতিনীতির ধ্বজা ওড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়েই প্রতিবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
তেমনই একজন হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য কেভিন ব্রাইস। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোর্টল্যান্ডে বিক্ষোভের মধ্যেই ৭০ বছরের প্রাক্তন সামরিক অফিসার বলেন যে ‘আমি যখন সামরিক বাহিনীতে ছিলাম, তখন যে ধারণার ভিত্তিতে এগিয়ে যেতাম, তার পুরোটাই বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে হচ্ছে। আমি যদিও চিরকালনের জন্য রিপাবলিকান (ট্রাম্পও রিপাবলিকান), তারপরও দল যেদিকে যাচ্ছে, তার পক্ষে নই।’ তবে শুধু তিনি নন, আরও একাধিক প্রাক্তন মার্কিন সামরিক অফিসার বিক্ষোভে যোগ দেন বলে দাবি করা হয়েছে।
‘আমি রাজা নই…’, দাবি ট্রাম্পের
আর সেই বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে ট্রাম্প কোনও মন্তব্য করেননি। তবে শুক্রবার একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ওরা (বিক্ষোভকারীরা) আমায় রাজা বলছে… আমি রাজা নই।’ সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই কর্মসূচিতে সমর্থন জুগিয়েছেন সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, অ্যালেক্সজান্দ্রিয়া ওকাসিয়ো-কর্টেজের মতো নেতারা।

মাদক বহনকারী ডুবোজাহাজে হামলা, দাবি ট্রাম্পের
তারইমধ্যে ট্রাম্প দাবি করেছেন, মাদক নিয়ে যাওয়া একটি সাবমেরিনে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। আমেরিকাগামী সেই ডুবোজাহাজে হামলা চালানো হয় ক্যারিবিয়ানে। হোয়াইট হাউসের তরফে সেরকম হামলা চালানোর দাবি করে একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, লাতিন আমেরিকা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাতে মাদক ঢুকতে না পারে, সেজন্য এরকম অভিযান চালানো হচ্ছে। আর এবার যে ডুবোজাহাজে হামলা চালানো হয়েছে, তাতে কমপক্ষে ২৫,০০০ আমেরিকানের প্রাণরক্ষা করেছেন বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।