WB performance in ISC 2026 Result। মুখস্থবিদ্যা নয়! জ্ঞানের যাচাই করতেই ISC-তে বাজিমাত বাংলার

Spread the love

ধারণা কতটা স্বচ্ছ? জ্ঞান কতটা গভীর? শুধু মুখস্থ না করে কোনও বিষয় কতটা বুঝেছেন পড়ুয়ারা? সেই বিষয়গুলির উপরে কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেশনসের (CISCE) তরফে বাড়তি জোর দেওয়ার পরেই দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা আইএসসিতে (ISC) দুর্দান্ত ফলাফল করেছেন পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীরা। ৪০০ নম্বরের মধ্যে ৪০০ পেয়েছেন কমপক্ষে সাতজন। তাছাড়াও ৯৫ শতাংশর বেশি নম্বর পেয়েছেন ২,৭১৮ জন। আবার ৯০ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশের মধ্যে নম্বর পেয়েছেন ৪,২৩৭ জন পড়ুয়ারা। সার্বিকভাবে পাশের হারও বেড়েছে সামান্য। এবার পাশের হার ঠেকেছে ৯৯.০৭ শতাংশে।

মুখস্থবিদ্যা নয়, ধারণা কতটা স্বচ্ছ?

আর সেই সাফল্যের নেপথ্যে পরীক্ষার ধাঁচে যে পরিবর্তন এসেছে, তার বড় ভূমিকা রয়েছে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁদের মতে, মুখস্থবিদ্যার পরিবর্তে আইএসসি পরীক্ষায় ক্রিটিকাল থিংকিং, অ্যাপ্লিকেশন-বেসড লার্নিং, ক্রিটিকাল অ্যানালিসিসের মতো বিষয়গুলির উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। স্রেফ হুবহু মুখস্থ করে পরীক্ষায় লিখে দেওয়ার পরিবর্তে স্বচ্ছ ধারণার উপরে জোর দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড, সেটার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের পড়ুয়ারা ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন। এমনকী যে বিষয়গুলিতে নম্বর তোলা কঠিন বলে মনে করা হত, সেখানেও ভালো নম্বর পেয়েছেন পড়ুয়ারা।

ISC পরীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে কারা কারা প্রথম হয়েছেন?

১) অনুষ্কা ঘোষ, সেন্ট জেভিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (পানিহাটি)।

২) ইলিনা রাজকুমার উদানি, দ্য হেরিটেজ স্কুল (আনন্দপুর)।

৩) সুজাত পাল, বিবেকানন্দ মিশন স্কুল (জোকা)।

৪) অগ্নিভ চক্রবর্তী, সেন্ট জেমস স্কুল।

৫) আনন রামি, ডিপিএস মেগাসিটি।

৬) রাশি চৌবে, মাহবার্ট হাইস্কুল (শিলিগুড়ি)।

৭) হর্ষিত আগরওয়াল (লা মার্টিনিয়ার ফর বয়েজ)।

বিভিন্ন স্কুলের ফলাফল কেমন হল?

১) সেন্ট জেভিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, পানিহাটি: ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেয়েছেন ৭৫ জন। প্রথম স্থানের পাশাপাশি দু’জন দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন – মেঘাত্ময় সাহা এবং জিগ্যা সাধু।

২) সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুল: ৯০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেয়েছেন ১০০ জন পড়ুয়া। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৬৯।

৩) মর্ডান হাইস্কুল: মোট ১৫৪ জন পরীক্ষা দেন। ১৩৫ জনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৯০ শতাংশের উপরে।

৪) লা মার্টিনিয়ার: পাশের হার ১০০ শতাংশ। একজন প্রথম হয়েছেন। দু’জন দ্বিতীয় হয়েছেন – ভাব্যা পুগলিয়া শৌর্য সুরেখা। তৃতীয় হয়েছেন চারজন – অগ্নিশ চট্টোপাধ্যায়, গৌরব কুমার আগরওয়াল, জয়াদিত্য বুবনা এবং ঋষভ কারনাওয়াত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *