বিজেপির পতাকা এবং অন্যান্য প্রচার সামগ্রী গোছানোর অভিযোগ উঠেছিল পানিহাটির সেক্টর আধিকারিকের বিরুদ্ধে। তৃণমূল দাবি করে, সেই সরকারি আধিকারিক আদতে বিজেপি ঘেঁষা। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়ের হয়েছিল অভিযোগ। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত সরকারি কর্মীকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সঙ্গে তাঁকে অপসারণের নির্দেশিকা জারি করা হয়। জানা গিয়েছে, অপসারিত সরকারি কর্মীর নাম অতনু চক্রবর্তী। তাঁর বাড়ি আগরপাড়া নর্থ স্টেশন রোড এলাকায়। বারাসত চৌধুরীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনি।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছিল। তাতে দেখা যায়, চারজন ব্যক্তি বসে বিজেপির প্রচার সামগ্রী গোছাচ্ছেন। সেই ভিডিয়োটি পোস্ট করেছিলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ভিডিয়োতে একজন ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তিনি কি নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পানিহাটির সেক্টর অফিসার? এরপর তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি তোলেন। পরে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি তোলা হয় শাসকদলের তরফে। এই আবহে ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হল কমিশনের তরফে।
অতনুকে অপসারণ করার নির্দেশিকায় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে লেখা হয়েছে, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়োতে আপনাকে (অতনু চক্রবর্তী) রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকতে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড দায়িত্বে অবহেলার শামিল এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আপনার এই কর্মকাণ্ড নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতাকে খুন্ন করেছে। এর জেরে আপনাকে সেক্টর অ্যাসিস্টেন্টের দায়িত্ব থেকে অপরাসারিত করা হল। কেন আপনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা লিখিতভাবে কমিশনকে জানাতে হবে।’
