দক্ষিণ কলকাতার বিধানসভা কেন্দ্রগুলির ভোটকেন্দ্র বা গণনাকেন্দ্রে লোডশেডিং হতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করে দিলেন কলকাতা দক্ষিণের ডিইও রণধীর কুমার। বিশেষ করে ভোটগণনাকেন্দ্রে ‘পাওয়ার ব্যাকআপ’ থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রসঙ্গত, এই দক্ষিণ কলকাতারই ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি হয়েছিলেন শুভেন্দু এবং মমতা। সেই দ্বৈরথে খুব অল্প ব্যবধানেই মমতা হেরে গিয়েছিলেন শুভেন্দুর কাছে। তবে তৃণমূল অভিযোগ করে আসছে, ‘লোডশেডিং’ করিয়ে নাকি শুভেন্দু নন্দীগ্রামে জিতেছিলেন। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামে ভোট গণনার দিনে শেষের দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এই আবহে কলকাতা দক্ষিণের ডিইও রণধীর কুমারের মন্তব্যের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের।
ডিইও রণধীর কুমার জানান, কলকাতা দক্ষিণে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। এদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিইএসসি-র থেকে আমাদের কানেকশন নেওয়া হয়েছে। লোডশেডিং যাতে না হয়, তা আগে থেকেই দেখা হয়েছে। এছাড়াও পাওয়ার ব্যাক আপ থাকছে। গণনাকেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুতের ব্যাক আপ থাকে। জেনারেটর থাকবে। বিদ্যুৎ চলে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেটর চালু হবে।’ প্রসঙ্গত, বালিগঞ্জ, কলকাতা বন্দর, রাসবিহারী এবং ভবানীপুর রয়েছে দক্ষিণ কলকাতায়।
এদিকে কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পান্ডে জানালেন, কলকাতা উত্তরের ৪৮ শতাংশ বুথ অতি স্পর্শকাতর। যা সংখ্যায় ৮৩৭টি। কলকাতা উত্তরে বর্তমানে মোট ৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্মিতা পান্ডে জানিয়েছেন, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মূল কমান্ড সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকে ওয়েব কাস্টিংয়ের মাধ্যমে বুথগুলোতে নজরদারি চালানো হবে। এদিকে উত্তর কলকাতায় এবার নতুন করে তিনটি আবাসনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে মাত্র একটি আবাসনেই ভোটকেন্দ্র হত। এবার তা বেড়ে চার হয়েছে। কলকাতা দক্ষিণে ২টি আবাসনে বুথ হচ্ছে এবারে। উল্লেখ্য, কলকাতা উত্তরে মোট সাতটি বিধানসভা রয়েছে। জোড়াসাঁকো, চৌরঙ্গি, শ্যামপুকুর, এন্টালি, কাশীপুর – বেলগাছিয়া, বেলেঘাটা এবং মানিকতলা।
