Woman cracks 19 competitive exams। ২৩ বছরেই ১৯ চাকরির পরীক্ষা ক্র্যাক! স্বাধীনতা দিবসে পাবেন সম্মান

Spread the love

Woman cracks 19 competitive exams: বয়স মাত্র ২৩। আর তাতেই ১৯টি প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষা ‘ক্র্যাক’ করে ফেলেছেন ছত্তিশগড়ের রাইপুরের চারু পান্ডে। যে তালিকায় আছে SSC CGL (স্টাফ সিলেকশন কমিশন কম্বাইনড গ্র্যাজুয়েট লেভেল), SSC CHSL (স্টাফ সিলেকশন কমিশন কম্বাইনড হায়ার-সেকেন্ডারি লেভেল), IBPS PO (আইপিবিএস প্রবেশনারি অফিসার), স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই), SSC MTS ((স্টাফ সিলেকশন কমিশন মাল্টি টাস্কিং স্টাফ), রেলওয়ের মতো একাধিক পরীক্ষা। আর সেই অভাবনীয় কৃতিত্বের জন্য স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে সম্মানিত করা হবে। যিনি আপাতত চেন্নাইয়ে অ্যাসিসট্যান্ট অডিটর পদে কর্মরত আছেন।

১৯ প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষা ‘ক্র্যাক’

আর চারুর সেই সাফল্যের পিছনে সম্ভবত অন্যতম বড় অবদান রয়েছে অঙ্কের প্রতি তাঁর ভালোবাসা। বরাবরই অঙ্কের প্রতি তাঁর বিশেষ ঝোঁক ছিল। সেইসঙ্গে যুক্ত হয়েছিল কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং লক্ষ্যের প্রতি নিষ্ঠা। সবমিলিয়ে ১৯টি প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির পরীক্ষা ‘ক্র্যাক’ করে ফেলেন চারু।

অথচ সেরকম কোনও পরিকল্পনাই ছিল না রাইপুরের মেয়ের। প্রাথমিকভাবে আর পাঁচজন যুবক-যুবতীর যেমন লক্ষ্য থাকে, সেরকমভাবেই চারু নিদেনপক্ষে একটি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বাজিমাত করতে চেয়েছিলেন। প্রস্তুতি এবং রেজাল্টের মধ্যেই তিনি একের পর এক সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে থাকেন।

বাবা-মা চেয়েছিলেন যে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত থাকুন মেয়ে

সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের সাক্ষাৎকারে চারু বলেছেন, ‘বাবা-মা চেয়েছিল যে আমি শিক্ষকতা করি। স্কুলের শিক্ষক বা অধ্যাপক হই। কিন্তু আমি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির পথ বেছে নিয়েছিলাম। আমার সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ছিল পরিবারের। স্কুলে আমি অঙ্কে বেশ ভালো ছিলাম। কিন্তু অন্যান্য বিষয়ে নিজেকে মাঝারি মানের পড়ুয়া ভাবতাম। তবে আমি বিশ্বাস করি যে সাফল্য কেবল প্রতিভা থেকে নয়, বরং নিরন্তর কঠোর পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা থেকেও আসে।’

কিন্তু এত পরীক্ষার চাপ সামলালেন কীভাবে?

চারু বলেছেন, ‘আমি বর্তমানে চেন্নাইয়ে অ্যাসিসট্যান্ট অডিটর হিসেবে কাজ করছি। ঘুরতে যাওয়া ও রান্না করা আমার খুব পছন্দের। পড়াশোনার ব্যস্ততার মাঝেও আমি নিজেকে মানসিক চাপমুক্ত রাখার জন্য সময় বের করে নিতাম। আমি ১০ মিনিট থেকে ৩০ মিনিটের জন্য হেঁটে আসতাম কিংবা পরিবারের সঙ্গে পাঁচ থেকে ১০ দিনের জন্য কোথা থেকে ঘুরে আসি। ভবিষ্যতে আমি পিএইচডি করতে চাই এবং সময় পেলে ইউপিএসসির জন্যও প্রস্তুতি নিতে চাই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *