‘এমন লোক প্রার্থী হন…’ BJP জিতলেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুই?

Spread the love

২০২১-এ নন্দীগ্রামের পর ২০২৬-এ ভবানীপুরে মুখোমুখি লড়াই হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর। গতবার জিতেছিলেন শুভেনদু অধিকারী। এবার কী হবে? এই প্রশ্নই এখন লোকের মুখে মুখে। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে ভবানীপুরে। ফল জানা যাবে ৪ মে। আর ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট রয়েছে নন্দীগ্রামে। সেই কেন্দ্রে আগেই মনোনয়ন জমা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী, সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষও। এবার ভবানীপুরে তিনি মনোনয়ন পেশ করবেন। শোনা যাচ্ছে, এদিন বিরাট ব়্যালি করে মনোনয়ন জমা করবেন শুভেন্দু। তাঁর হয়ে ব়্যালি করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাহলে কী এবার বিজেপির প্রোজেক্টেড মুখ্যমন্ত্রী-মুখ শুভেন্দু অধিকারীই? এই প্রশ্নই রাখা হয়েছিল, খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের কাছে। জবাবে কী বললেন তিনি?

শুভেন্দু অধিকারী কী মুখ্যমন্ত্রী-মুখ বিজেপির?

এখনই সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ হিসেবে মানতে নারাজ প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে যান দিলীপ ঘোষ। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন, ‘কে প্রার্থী সে তো ভোটের পরে দেখা যাবে। পার্টির পদ্ধতি আপনারা জানেন। কোনও ঘোষণা হয় না। আর এমন লোক প্রার্থী হন যার মুখ কেউ চেনে না।’ তিনি আরও বলেন, পার্টিটাই চালায় সব। সর্বভারতীয় নেতারা ঠিক করে নিয়েছেন কে কোন নমিনেশনে থাকবেন। আমাদেরকেও জানানো হয়েছে মনোনয়নে থাকতে। সেই ভাবেই চলছে।’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর থেকে সবুজ সংকেত নিয়েই ভবানীপুরে শুভেন্দুকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অমিত শাহ-নিতিন নবীনরা। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশ করার কর্মসূচিতেও উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। শেষ পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কোনও কাজ যদি এসে না পড়ে তাহলে বৃহস্পতিবার শুভেন্দুর মনোনয়ন পেশের সময়ে থাকবেন তিনি।

যদিও, বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে বিজেপি তাদের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। কিন্তু, বাংলার ক্ষেত্রে দুই হেভিওয়েট আসনে একসঙ্গে লড়াই এবং মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানোয় রাজনৈতিক মহলে ধারণা তৈরি হয়েছে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী শুভেন্দুই। কিন্তু, এমন দাবি উড়িয়ে না দিলেও, সরাসরি মেনে না নেওয়ায় বাড়ছে জল্পনা। অনেকরই ধারণা এই ঘটনা আসলে দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর পুরনো সমস্যার প্রতিফলন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *