বেঙ্গালুরুতে যুগলের আত্মহত্যায় একের পর এক হাড়হিম তথ্য

Spread the love

বেঙ্গালুরুতে সদ্য বানু চন্দ্র রেড্ডি ও তাঁর স্ত্রী বিবি সহজিয়া সিরাজের মৃত্যু ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠছে।বানুর বয়স ৩২। তিনি তেলাঙ্গানার বাসিন্দা। পেশায় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সদ্য সোমবার তিনি আত্মহননের রাস্তা বেছে নেন। এই ঘটনার খানিক পর, বানুর স্ত্রী সহজিয়া তাঁদের ১৭ তলার ঘর থেকে ঝাঁপ দেন। সঙ্গে সঙ্গেই সহজিয়া মারা যান। সহজিয়া চাকরি করতেন বেঙ্গালুরুর আইবিএম-এ। বানুকে ঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। কেন আত্মহত্যা? পুলিশ তদন্তে নেমে একাধিক তথ্য হাতে পাচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, এককালে আমেরিকায় চাকরি করতেন বানু। সেখানে সংস্থা থেকে ছাঁটাই হন বানু। এআই-র জেরে তাঁর সংস্থা থেকে বানুকে ছাঁটাই করা হয় বলে তদন্তে জানা যাচ্ছে। এরপর থেকে বেঙ্গালুরুতে থাকতে আরম্ভ করেন বানু। তবে কিছুতেই চাকরি পাচ্ছিলেন না। গত ১ বছর ধরে বানু চাকরি খুঁজেছেন তবে তিনি কোথাও যোগ দিতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। ফলত, সংসারে কিছুটা অনটন লেগে থাকত। যার জেরে মানসিকভাবে বিপন্ন বোধ করছিলেন বানু বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

এদিকে, সহজিয়ার সঙ্গে ভিনধর্মে বিয়ের জেরে বানুর পরিবারও তাঁদের বিয়েকে সেভাবে মান্যতা দেয়নি। এদিকে, তেলাঙ্গানায় বানুর বাবার রাজনৈতিক যোগ রয়েছে, আর তিনিই এই বিয়ের বিরোধী ছিলেন। আর এই বিয়ের জেরে পরিবার তাঁদের পাশে ছিল না। জানা গিয়েছে, দুঃসময়ে পরিবারকেও সেভাবে পাশে পায়নি তারা। এমন এক অবস্থায় বেঙ্গালুরুতে লড়াই চালাচ্ছিলেন বানু ও সহজিয়া। তবে শেষমেশ এই করুণ পরিণতি ঘটে যায়। জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে কিছুদিন আগেই সহজিয়া এসেছিলেন। বাড়ি ঢুকে তিনি স্বামীকে মৃত অবস্থায় দেখে, ১৭ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনার তদন্ত এখনও জারি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *