Jishu Sengupta: ১৫ বছরের রাজনৈতিক পালাবদলের পর ইন্ডাস্ট্রির অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী নতুন সরকারের কাছে বারবার দাবি করেছেন, আগামী দিনে যেন রাজনীতি মুক্ত ইন্ডাস্ট্রি দেখতে পান সকলে। ব্যান কালচার মুক্ত একটা ইন্ডাস্ট্রি সকলেই চান। দেব থেকে প্রসেনজিৎ, প্রথম সারির প্রায় প্রত্যেক তারকাই এই বিষয়ে কথা বলেছেন। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন যিশু সেনগুপ্ত।
সম্প্রতি ‘ব্রাউন’ ছবির প্রচারে ব্যস্ত যিশু। এছাড়াও কিছুদিনের মধ্যেই বড় পর্দায় মুক্তি পাবে যিশু অভিনীত এবং প্রযোজিত ছবি ‘অভিমান’। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নিজের কাজ নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত অভিনেতা। সম্প্রতি ছবির প্রচারের উদ্দেশ্যে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন অভিনেতা আর সেখানেই তিনি জানান নতুন সরকারের থেকে আগামী দিনে কী চান তিনি।
যিশুর মন্তব্য অনুযায়ী, তিনি প্রথমেই চান একটি রাজনীতিমুক্ত ইন্ডাস্ট্রি। সিনেমা অথবা চলচ্চিত্র জগৎ যেহেতু শিল্পীর জায়গা, সেখানে যাতে কোনও রাজনৈতিক রঙের ব্যাপার না থাকে এটাই তাঁর প্রধান চাওয়া। লাল, নীল, হলুদ সবুজ, শিল্পীদের সব রকম রঙ নিয়ে বাঁচতে দেওয়া হোক, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে কিন্তু তার প্রভাব কোনওভাবেই যাতে কাজের ওপর না পড়ে, এইটুকুই আশা রাখেন অভিনেতা।
এছাড়াও নতুন সরকারের কাছে যিশুর দাবি যাতে আগামী দিনে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিঙ্গল স্ক্রিন প্রেক্ষাগৃহ যাতে খুলে দেওয়া হোক। অতীতে ৭০০ থেকে ৮০০ টি সিঙ্গল স্ক্রিন ছিল, সেখানে এখন ১০০ টি রয়েছে, আগে যেখানে প্রায় ৩ হাজারের মতো শো হত, সেখানে এখন ৩০০টির মতো শো হয়। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এই খারাপ অবস্থা যাতে তাড়াতাড়ি কাটিয়ে ওঠা যায়, তার জন্যই এই আবেদন করেছেন অভিনেতা।

নিউজ এইট্টিন বাংলার সঙ্গে কথোপকথন চলাকালীন একটি পুরনো ঘটনার কথা তুলে ধরেন যিশু যার মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান, আগেও শিল্পীদের মধ্যে রাজনৈতিক মতভেদ ছিল কিন্তু তার প্রভাব কখনও পড়েনি ইন্ডাস্ট্রিতে। অভিনেতার কথায়, অনেক বছর আগে যখন টেকনিশিয়ান স্টুডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে ছিল তখন রাইটার্স বিল্ডিং-এর সামনে টানা তিন দিন ধর্না দিয়েছিলেন অভিনেতা অভিনেত্রী থেকে শুরু করে কলাকুশলীরা।