Mamata vs Ritabrata TMC: কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েও আপাতত কোনও স্বস্তি পেল না মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ বিধানসভা বিরোধী দলনেতা সংক্রান্ত মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিল না হাইকোর্ট। তার ফলে বিধানসভার স্পিকার হিসেবে রথীন্দ্র বসু যে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেন, সেটাই বহাল থাকছে। তবে মামলার নিষ্পত্তি করা হয়নি। আগামী জুলাইয়ে ফের মামলার শুনানি হবে। সবপক্ষকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। আগামী ২৮ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
নৈতিক জয় হল, দাবি বিদ্রোহী শিবিরের সন্দীপনের
তবে আপাতত ঋতব্রত যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা থাকছেন, সেটাকে নৈতিক জয় বলে আখ্যা দিয়েছেন বিদ্রোহী বিধায়ক সন্দীপন সাহা। যিনি ঋতব্রতের সঙ্গে বিধানসভার সই জালিয়াতি কাণ্ড নিয়ে অভিযোগ করেন। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এন্টালির বিধায়ক দাবি করেছেন যে অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করা হয়েছিল। তাতে নৈতিক জয় এল। আইন মেনেই কাজ করা হয়েছিল। আরও বেশি সংখ্যক বিধায়ক তাঁদের সমর্থন করছেন বলে দাবি করেছেন সন্দীপন।
শোভনদেবের মামলা ও কল্যাণের সওয়াল
সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যান বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব। তাঁর হয়ে সওয়াল করে আইনজীবী তথা শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কে হবেন, সেটা সম্পূর্ণভাবে ঠিক করে থাকে রাজনৈতিকদল। বিধায়কদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার বিষয়টি সেক্ষেত্রে বিবেচনা করা যায় না। সেইসঙ্গে তিনি সওয়াল করেন, ঋতব্রতকে ইতিমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাই তাঁকে বিরোধী দলনেতা করা যায় না।
