নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ১৮ রাউন্ড গণনা শেষে রাজারহাট-নিউটাউন আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। এর আগে আজ বেলা পর্যন্ত ওয়েবসাইটে ১৭ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই সময় তৃণমূল এবং বিজেপির প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ফারাক ছিল মাত্র ৩২৩। তখন এগিয়ে ছিলেন তৃণমূলের প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। তবে রিপোর্টে দাবি করা হয়, তিনি নাকি নিজেই শেষ রাউন্ড গণনার আগে পুনর্গণনার দাবি তোলেন। সেই মতো আজ শুরু হয় কয়েকটি বুথ এবং পোস্টাল ব্যালটের পুনর্গণনা। তাতে দুপুর নাগাদ জানা যায়, ১৮ রাউন্ড গণনা শেষে ৩০৯ ভোটে এগিয়ে বিজেপি। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রে ১৮ রাউন্ড গণনা হওয়ার কথা ছিল। এদিকে এই ফলাফল বদলের ফলে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে ২০৭ হল আর তৃণমূল নেমে গেল ৮০-তে।
এর আগে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজারহাট-নিউটাউন আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের তাপস চট্টোপাধ্যায় ১৭ রাউন্ড গণনা শেষে পেয়েছিলেন ১ লাখ ৬ হাজার ২৫০টি ভোট। আর ১৭ রাউন্ড পরে বিজেপির পীযূষ কানোড়িয়ার ঝুলিতে গিয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৯২৭ ভোট। এই আবহে দুই প্রার্থীর মধ্যে ফারাক খুবই কম ছিল। আর ১৮ তথা শেষ রাউন্ড গণনা শেষে দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের তাপস চট্টোপাধ্যায় ১৭ রাউন্ড গণনা শেষে পেয়েছিলেন ১ লাখ ৬ হাজার ২৫৫টি ভোট। আর ১৭ রাউন্ড পরে বিজেপির পীযূষ কানোড়িয়ার ঝুলিতে গিয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট। অর্থাৎ, শেষ রাউন্ডে তৃণমূল প্রার্থী মাত্র ৫টি ভোট পান।
এই আসনে আবার সিপিএমের সপ্তর্ষি দেব পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৪৬ ভোট। কংগ্রেসের শেখ নিজামউদ্দিন পেয়েছন ১৮৮৫ ভোট। অর্থাৎ, কংগ্রেস ততটা না কাটলেও, সিপিএম অনেক ভোট টেনেছে এই আসনে। এরই সঙ্গে এই আসনে নোটায় ভোট পড়েছে ১৭৯২টি। হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ফিরদৌস আলি মোল্লা এই আসনে ভোট পান মাত্র ২১১। সমতা পার্টির শুভঙ্কর মণ্ডল পান ১১২টি ভোট। এসইউসিআই(সি)-র সুনীল সরকার পেয়েছেন ১৭৮ ভোট। ন্যাশনাল রিপাবলিক পার্টি অফ ইন্ডিয়ার আশুতোষ পালের ঝুলিতে গিয়েছে ৪৮৩ ভোট। এছাড়াও নারায়ণ মণ্ডল নামে এক নির্দল পান ১২২৭টি ভোট, সুজন সরদার (নির্দল) পান ৭৬৮টি ভোট, অসীত ঢালি (নির্দল) পান ৩১১টি ভোট, রাজীব সরকার (নির্দল) পান ৩১১ ভোট, অভিমণ্যু শান্ডিল্য পান ২১১টি ভোট। অর্থাৎ, অনেক নির্দলই তৃণমূল-বিজেপি ভোটের ব্যবধানের বেশি ভোট পেয়েছেন।
