বাংলাদেশের ঢাকায় এবার রহস্যজনক মৃত্যু জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক নেত্রীর। রিপোর্ট অনুযায়ী, হাসিনা বিরোধী নেত্রী জন্নত আরা রুমির মৃত্যু হয়েছে তাঁর হোস্টেল ঘরে। তাঁর মৃত্যু ঘিরে রহস্য ঘনাচ্ছে। জানা গিয়েছে, ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার জিগাতলা জন্নতি নারী হোস্টেলের পঞ্চম তলার ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় রুমির মৃতদেহ। জানা গিয়েছে, জন্নত আরা রুমি ধানমন্ডি শাখার নেত্রী। তিনি ঢাকা নগর দক্ষিণের এনসিপি কমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক ছিলেন। নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নাজিরপুর থানার বাসিন্দা।
রিপোর্ট অনুযায়ী, জন্নত আরা রুমির মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায় হোস্টেলের ঘরে। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। হাজারিবাগ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পরে অবশ্য জানা গিয়েছে, রুমি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। পারিবারিক বিষয়ে মানসিক চাপে ছিলেন রুমি। যদিও তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে রাজনীতির যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন রুমি। হাজারিবাগ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জান্নাত আরা রুমী আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পাওয়া গিয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড- সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ হাজারিবাগ থানার সাবইন্সপেক্টর মহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি জন্নত আরা রুমির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’
