বাংলায় ২০০ পার করে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। তবে পালাবদলের অঙ্কটা এত বিপুল দেখালেও জায়গায় জায়গায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের। তবে শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস আটকে রয়েছে ৮০টি আসনে। এছাড়া একটি আসনে তারা এগিয়ে আছে। তবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, সেই আসনের শেষ রাউন্ডের গণনা এখনও হয়নি। সেই আসনটি হল রাজারহাট-নিউটাউন। এখানে তৃণমূল এবং বিজেপির প্রার্থীদের মধ্যে ভোটের ফারাক মাত্র ৩২৩। রিপোর্ট অনুযায়ী, এখানে ভোটের পুনরায় গণনা শুরু হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট এবং ইভিএমের তিন রাউন্ডের পুনরায় গণনা শুরু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রাজারহাট-নিউটাউন আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের তাপস চট্টোপাধ্যায় ১৭ রাউন্ড গণনা শেষে পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ২৫০টি ভোট। আর ১৭ রাউন্ড পরে বিজেপির পীযূষ কানোড়িয়ার ঝুলিতে গিয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৯২৭ ভোট। এই আবহে দুই প্রার্থীর মধ্যে ফারাক খুবই কম। এই আসনে আবার সিপিএমের সপ্তর্ষি দেব পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৪৫ ভোট। কংগ্রেসের শেখ নিজামউদ্দিন পেয়েছন ১৮৭৮ ভোট। অর্থাৎ, কংগ্রেস ততটা না কাটলেও, সিপিএম অনেক ভোট টেনেছে এই আসনে।
এরই সঙ্গে এই আসনে নোটায় ভোট পড়েছে ১৭৯২টি। হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ফিরদৌস আলি মোল্লা এই আসনে ভোট পান মাত্র ২১১। সমতা পার্টির শুভঙ্কর মণ্ডল পান ১১২টি ভোট। এসইউসিআই(সি)-র সুনীল সরকার পেয়েছেন ১৭৮ ভোট। ন্যাশনাল রিপাবলিক পার্টি অফ ইন্ডিয়ার আশুতোষ পালের ঝুলিতে গিয়েছে ৪৮৩ ভোট। এছাড়াও নারায়ণ মণ্ডল নামে এক নির্দল পান ১২২৭টি ভোট, সুজন সরদার (নির্দল) পান ৭৬৮টি ভোট, অসীত ঢালি (নির্দল) পান ৩১১টি ভোট, রাজীব সরকার (নির্দল) পান ৩১১ ভোট, অভিমণ্যু শান্ডিল্য পান ২১১টি ভোট। অর্থাৎ, অনেক নির্দলই তৃণমূল-বিজেপি ভোটের ব্যবধানের বেশি ভোট পেয়েছেন।
