জম্মুতে অবস্থিত এনআইএ সদর দফতরের কাছেই একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে উদ্ধার হল ‘রাইফেল-স্কোপ’। এই দূরবীন বন্দুকের ওপর বসিয়ে শুটাররা দূরে নিজেদের লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে থাকেন। উদ্ধার হওয়া রাইফেল-স্কোপটি আবার চিনে তৈরি। এহেন একটি বস্তু জম্মুতে কীভাবে এল, কে বা সেটা এনআইএ-র সদর দফতরের কাছে একটি আবর্জনার স্তূপে ফেলে দিয়ে গেল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। সাধারণ মানুষদের এই নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে বারণ করেছেন তারা। এদিকে ইতিমধ্যেই ২৪ বছর বয়সি এক যুবককে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, জম্মুর আসারাবাদ এলাকায় একটি ৬ বছরের শিশুকে এই রাইফেল-স্কোপটি নিয়ে খেলতে দেখা গিয়েছিল। ঘটনাটি পুলিশের নজরে আসতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা সেই রাইফেল-স্কোপ উদ্ধার করে। এরপর আশেপাশের জায়গায় তল্লাশিও চালানো হয়। যে শিশুটি এই রাইফেল-স্কোপ নিয়ে খেলছিল, তার মা-বাবাকে জেরা করে পুলিশ। সেই সময় তদন্তকারীরা জানতে পারেন যে পাশেই একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে অস্ত্রের অংশটি পেয়েছিল শিশুটি। এই তদন্তের সূত্রেই জম্মুর সিধরা অঞ্চলেও তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। এরপর সাম্বা থেকে ২৪ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ এবং স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ একসঙ্গে ঘটনার তদন্ত করছে।
এদিকে পৃথক এক ঘটনায় সাম্বাতে আরও একটি সন্দেহভাজনকে আটক করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, এক কাশ্মীরি যুবকের ফোনে পাকিস্তানি নম্বর থেকে ফোন এসেছে বলে জানা যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। যুবকটিকে জেরা করে পুলিশ জানার চেষ্টা করছে, কেন পাকিস্তানি নম্বর থেকে তার কাছে ফোন এসেছে। তার সঙ্গে জঙ্গিদের কোনও যোগ আছে কি না। আটক সেই যুবক আদতে দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তবে বর্তমানে সে সাম্বায় থাকছিল।
