মধ্যপ্রাচ্যে আসছে মার্কিন রণতরী। গত কয়েক দিন ধরে ইরানের খামেনেইকে নিশানা করে তুমুল হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। এরই মাঝে পাকিস্তানে অবস্থিত ইরানের হাইকমিশনার জানিয়েছেন, ট্রাম্প, তেহরানকে জানিয়েছেন, তাঁর ইরানে হামলা করার কোনও ইচ্ছে নেই। এদিকে, ইতিমধ্যেই ইরান থেকে ভারতীয়দের দেশে ফেরাতে উদ্যোগ নিতে শুরু করেছে দিল্লি।
আমেরিকা বনাম ইরানের খামেনেই সংঘাত কোনদিকে মোড় নেয়, সেদিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। এরই মাঝে ইরানে অবস্থিত ভারতীয়দের প্রতি অ্যাডভাইসারি জারি করে দিয়েছে দিল্লি। এদিকে, জানা যাচ্ছে, আগামিকাল অর্থাৎ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই ইরানে অবস্থিত ভারতীয়দের ঘরে ফেরাতে উদ্যোগ নিতে শুরু করবে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ইরান থেকে ভারতীয় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এবং ভারতীয় শিক্ষার্থীদের তাদের কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। উপরন্তু, একটি যাত্রী তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে, এবং ভারত ও ইরান উভয় দেশের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতি মাথায় রেখে পরিকল্পনাগুলি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এমনই তথ্য উঠে আসছে মিডিয়া রিপোর্টে।
এদিকে, বহু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, খামেনেই বিরোধী আন্দোলনে ইরানে প্রায় ৩ হাজারের বেশি জনের মৃত্য়ু হয়েছে। ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র এক রিপোর্ট বলছে, সেদেশে বুলডোজার দিয়ে মৃতদেহ সরানোর কাজ চলছে। মর্গে স্তূপ রয়েছে মৃতের।

এদিকে, পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদাম জানিয়েছেন, তাঁর কাছে স্থানীয় সময় রাত ১ টা নাগাদ খবর আসে যে, ইরানে হামলা চালাতে চাইছেন না ট্রাম্প। পাকিস্তানে অবস্থিত ইরানের রাষ্ট্রদূতের দাবি, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চান না এবং দেশটিকে আহ্বান জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে থাকা তাদের অবকাঠামোতে যেন কোনো পাল্টা হামলা না চালানো হয়।
এদিকে,আজ সকালেই বেশ কিছুক্ষণের জন্য ইরানের আকাশ সীমা বন্ধ করা হয়। ফলত, যুদ্ধের আশঙ্কা ঘিরে ক্রমাগত উদ্বেগ ঘনাতে থাকে। তবে পরে সেই আকাশ সীমা খুলে দেওয়া হয়। এদিকে, তুরস্ক জানিয়েছে, তারা চায়না ইরানে হামলা করুক আমেরিকা। অন্যদিকে, ইরান পাশে পেয়েছে সৌদিকে। রিয়াদ জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের সামরিক হামলা চালানোর জন্য তারা নিজেদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না তারা।